নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফল বুঝতে পারছেন শুভেন্দু, রাজ্যসভার উপনির্বাচনে কী ঘটতে চলেছে তা আন্দাজ করেই জহর সরকারের বিপরীতে কোন প্রার্থী দিচ্ছে না গেরুয়া শিবির। আজ বৃহস্পতিবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। গতকাল তৃণমূলের প্রার্থী জহর সরকার মনোনয়ন জমা দিয়ে এসেছেন বিধানসভায় গিয়ে।
আরও পড়ুনঃ জাগো বাংলায় আজ দ্বিতীয় কিস্তি অজন্তার, অস্বস্তি বাড়ছে আলিমুদ্দিনে


তবে গুরু বারে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ট্যুইট করে জানালেন জহরের বিপরীতে প্রার্থী দিচ্ছে না গেরুয়া শিবির। নন্দীগ্রামের বিধায়ক নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘বাংলায় রাজ্যসভার উপনির্বাচনে আজ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ওই আসনে বিজেপি কোনও প্রার্থী দিচ্ছে না। নির্বাচন ফলাফল কী হতে চলেছে, তা সবাই জানেন। এই যুক্তিহীন সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।’
অর্থাৎ যে জল্পনা চলছিল একপ্রকার তাই সত্যি হতে চলেছে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাবেন প্রাক্তন আমলা। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনের উপনির্বাচন হবে আগামী ৯ই আগস্ট। দিন কয়েক আগেই বজ্ঞপ্তি দিয়ে বকেয়া ভোটের ঘোষণা করেছিল কমিশন।
ফল বুঝতে পারছেন শুভেন্দু, রাজ্যসভায় প্রার্থী না দিয়ে যুক্তিহীন সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোকেই পাথেয় করছে নন্দীগ্রামের বিধায়ক।



ফল বুঝতে পারছেন শুভেন্দু, রাজ্যসভায় জহরের বিপরীতে প্রার্থী দিল না BJPভোটের মুখে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার পরেই নিজের সাংসদ পদ ছেড়েছিলেন তিনি। সেই শূন্য পদে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিয়েছেন প্রসার ভারতীয় প্রাক্তন সিইও জহর সরকারকে। চার দশকের বেশি জনপরিষেবার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর, সঙ্গে মোদি-বিরোধী বলেও পরিচিত। আলাপন কান্ডে সুর চড়িয়েছিলেন নমো সরকারের বিরুদ্ধে।
ভেবেচিন্তে মুকুল-যশবন্তের নাম কাটিয়ে মমতা সোজা ফোন করেছিলেন তাঁকেই। দিদির ফোনে আর কাল বিলম্ব না করে রাজি হয়েছিলেন জহর। গতকাল নিজের মনোনয়ন জমা দিয়ে এসেছেন। জল্পনা ছিল তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী হিসেবে কার নাম দেবে গেরুয়া শিবির। তবে আজ সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুভেন্দু জানিয়েছেন কোন প্রার্থী দিচ্ছে না গেরুয়া শিবির।







