নজরবন্দি ব্যুরোঃ শনিবার বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক চলে। রবিবার ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া নেতাদের সঙ্গে চলে বৈঠক। সোমবার বনগাঁয় বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের চড়ুইভাতি। কলকাতা, হগলী সহ অন্যান্য জেলার নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা। বনগাঁর নহাটায় বিক্ষুব্ধ নেতাদের নিয়ে পিকনিকের আয়োজন করেছেন শান্তনু।
আরও পড়ুনঃ ট্যাবলোর অনুমতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কে বার্তা তথাগতর


এদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সায়ন্তন বসু, জয়প্রকাশ মজুমদার, রীতেশ তিওয়ারিদের। উপস্থিত থাকার কথা একাধিক বিধায়কদেরও। কিন্তু সেই তালিকায় রয়েছে বিক্ষুব্ধ নেতারাই। আর কোন নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা বিজেপির অন্দরে চড়াই উতরাই পর্ব দেখার পর এদিনের চড়ুইভাতির বিষয়টিকে হাল্কাভাবে নিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল।
উল্লেখ্য, বিজেপির রাজ্য কমিটি গঠনের পর থেকে মুরলীধর সেন লেনে নোনা ধরতে শুরু করেছিল। সম্প্রতি জেলা কমিটি গঠনের পর সেই রাশ আরও আলগা হতে শুরু করে। একের পর এক বিধায়করা বিজেপির হোয়াটাসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দেন। বিজেপির সমস্ত গ্রুপ থেকে নিজেকে অব্যহতি দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নাম না করে সমস্ত ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি অমিতাভ চক্রবর্তীর ওপর।
সোমবার শহর কলকাতায় বিজেপি দফতর থেকেই রাজ্য সংগঠনের সভাপতি অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের একাধিক পোস্টারে লেখা হয়েছে। বিজেপি বাঁচাতে বিভীষণ হটাও।


বনগাঁয় বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের চড়ুইভাতি, প্রতিবাদের অন্যন্য ধরন

অভিযোগ, অমিতাভ চক্রবর্তীর পছন্দের নেতাদের নিয়ে কমিটি গঠন করছেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানে এমন কিছু লোককে আনা হয়েছে যাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ লোকের কোনও অভিজ্ঞতা নেই। এভাবে বিজেপিকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। সূত্রের খবর, মতুয়া নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে সিএএ নিয়ে কেন্দ্র সরকারের ওপর চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা তৈরি করেছেন শান্তনু ঠাকুররা। এবার চড়ুইভাতির মাধ্যমে আন্দোলনের নতুন পথ বেছে নিলেন বিক্ষুব্ধ নেতারা।







