মালদা, ২০ আগস্টঃ বিহার থেকে কলকাতায় পাখি পাচার হচ্ছিল, তা রুখে দেওয়া গেল রেল পুলিশের তৎপরতায়। বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতাগামী ডাউন যোগবানি এক্সপ্রেস ট্রেনের এস-থ্রি কামরা থেকে প্রচুর সংখ্যক টিয়া পাখি উদ্ধার করলো মালদা টাউন জিআরপি। তবে, রেল পুলিশ আসার আগেই পাচারকারী ট্রেন থেকে নেমে পালিয়ে যাওয়ায়, পাচারকারীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নি।
আরও পড়ুনঃ স্থানীয় প্রতিরোধের কাছে হার তালিবানের, একে একে হাতছাড়া হচ্ছে আফগানভূম
মালদা টাউন স্টেশন-এর জিআরপি আইসি ভাস্কর প্রধান জানান, বিহার থেকে কলকাতায় পাখি পাচার হচ্ছিল। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে জিআরপি টিম, ডাউন যোগবানি এক্সপ্রেসে তল্লাশি চালানোর সময় এস-থ্রি কামরার বাথরুমের পাশ থেকে চারটি খাঁচায় বন্দি থাকা টিয়াপাখিগুলি উদ্ধার করে। চারটি খাঁচা থেকে উদ্ধার হয় ২৫০ টি টিয়া।
গত এক মাসে, মালদা জিআরপি কলকাতাগামী যোগবানি এক্সপ্রেস থেকে থেকে একদফায় এক হাজার টি এবং আর এক দফায় ১৭৫ টি পাখি উদ্ধার করেছিল। আইসি ভাস্কর প্রধান জানান, পাচারকারীরা পাখিগুলি যোগবানি থেকে কলকাতায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে জিআরপি পুলিশ পাচারের আগেই টিয়া পাখি গুলিকে উদ্ধার করে ফেলে। উদ্ধার হওয়া টিয়া পাখি গুলি মালদা বনদপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বিহার থেকে কলকাতায় পাখি পাচার

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলতঃ নেপালের জঙ্গল থেকে টিয়া, ময়না সহ বিভিন্ন পাখিকে খুব ছোট অবস্থায় মেচি নদী পার করে বিহারের যোগবানিতে আনা হয়। সেখানে কিছুটা বড় করার পর, সেগুলিকে যোগবানি থেকে কলকাতায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। পাচারের সময় পাখিগুলি আলো বা মানুষ দেখে যাতে চিৎকার-চেঁচামেচি না করে, সেজন্য প্রত্যেকটি পাখিকে কাপড়ের তৈরী টুপি দিয়ে গলা পর্যন্ত মুখ ঢেকে দেওয়া হয়। এই পাচার চক্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে বন দপ্তর সূত্রের খবর।



