নজরবন্দি ব্যুরোঃস্পিকার সম্মেলনে খহোভ প্রকাশ করেলন বাংলার বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। একযোগে তোপ দাগলেন রাজ্যের রাজ্যপাল এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সি গুলির বিরুদ্ধে। আজ সর্বভারতীয় স্পিকার সম্মেলনে সকলের উপস্থিতিতে ফের ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বাংলা বিধানসভার স্পিকারের অভিযোগ তাঁকে অন্ধকারে রেখে এমন কাজ হচ্ছে যাতে আদপে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বিধানসভার মর্যাদা।
আরও পড়ুনঃ বিভিন্ন খাতে বাজেট কাঁটছাট করছে সরকার, শুভেন্দুর কটাক্ষ ‘দুয়ারে গর্ত’ রাজ্যের


টেনে আনেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গুলির প্রসঙ্গ। তাঁর মতে বিধায়কদের বিরূদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার আগে তাঁকে জানাচ্ছে না CBI, ED। সম্মেলনে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, “আমায় না জানিয়ে বিধায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো লোকসভার কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে স্পিকারের অনুমতি নিচ্ছে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটা ঘটছে। স্পিকারের অনুমতি নেওয়া হচ্ছে না।”
স্পিকার সম্মেলনে ক্ষুব্ধ বাংলা বিধানসভার স্পিকার।

তাঁর মতে এই মূহুর্তে বাংলার পরিষদীয় ব্যবস্থা সংকটের মুখে। ১২ মিনিটের বক্তব্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গুলির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি তোপ দাগেন রাজ্যের রাজ্যপালের প্রতি। তাঁর বক্তব্য, “অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কেউ কেউ বিধানসভার একাধিক ইস্যুতে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ করছেন। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন রাজ্যপাল। বিধানসভাকে নির্দেশ দিচ্ছেন। যে বিষয়গুলো বিধানসভায় আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে, সেটা না করে বিধায়কদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন। এবং আদালত সেই মামলা গ্রহণও করছে।”


এর আগেও বিমান ব্যানার্জী রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য না করার খাতিরে। উল্লেখ্য তাঁর সঙ্গে আলোচনা এবং তাঁর অনুমতি ছাড়া রাজ্যের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে নারদ মামলায় চার্জশিট তৈরির জন্য CBI এবং ED’কে তলব করেছেন তিনি। চিঠি দিয়ে সিবিআইয়ের DSP সত্যেন্দ্র সিং ও ইডির তদন্তকারী আধিকারিক রথীন বিশ্বাসকে ২২ সেপ্টেম্বর বেলা ১টায় হাজিরা দিতে বলেছেন বিমান ব্যানার্জী।







