নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছরেই নদিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদে আনা হয়েছিল করিমপুরের তৃণমূলের বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহকে রায়কে। ঠিক এক বছরের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে। স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে। এই মুহুর্তে চেয়ারম্যান পদে থাকবেন নদিয়ার জেলাশাসক শশাঙ্ক শেঠি। জেলা শিক্ষা পর্ষদের পদ থেকে সরানো হল তৃণমূল বিধায়ককে, যা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
আরও পড়ুনঃ SSC: ১৬০০ টি শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু, বিরাট পদক্ষেপ কমিশনের
এমনিতেই প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল বিধায়ক বিমলেন্দুর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছিলেন তিনি। এমনকি দলীয় পদ দেওয়ার নাম করে টাকার তোলার অভিযোগ তুলেছিলেন দলেরই এক কর্মী।

একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ বদলির জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। যা ইতিমধ্যে মামলা লড়াইয়ের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে। সাপ্লিমেন্টারি নিয়োগ নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সিসিটিভি ও চেয়ারম্যানের চেম্বারে একটা বৃহৎ আইহোল রাখা হয়েছিল। কোন উদ্দেশ্যে সেগুলো কারচুপি করা হল? এমনকি বিধায়ক পদে থেকে বিমলেন্দু ক্ষমতার অপব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জেলা শিক্ষা পর্ষদের পদ থেকে সরানো হল তৃণমূল বিধায়ককে, কারণ নিয়ে জলঘোলা শুরু

মানিক ভট্টাচার্যকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থেকে অপসারণের পরেই ২৬৯ জনকে প্রাথমিক শিক্ষক পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেবার নদিয়া জেলা থেকে ১৯ জনের চাকরি যায়। এছাড়াও এই জেলায় নিয়োগ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। তার মধ্যেই বিমলেন্দুকে সরিয়ে দেওয়া মোটেই সহজভাবে নিচ্ছে না ওয়াকিবহাল মহল।



