নজরবন্দি ব্যুরো: একাধিক দফায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিক্ষক ও অশিক্ষক পদে প্রায় সাড়ে তিন হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরিহারা কর্মপ্রার্থীরা। কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয় হাইকোর্টের নির্দেশকে কার্যকরী করা যাবে না। সুপ্রিম নির্দেশে কাজে যোগ দিচ্ছেন কর্মচ্যুতরা!
আরও পড়ুনঃ SSC-TET: চাকরি ফিরে পাচ্ছেন সাড়ে তিন হাজার জন, সুপ্রিম নির্দেশে আপাতত স্বস্তি
সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে প্রত্যেকটি জেলার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা সংসদ গুলিকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। ২৬৯ জন আপাতত চাকরিতে যোগ দিতে পারবে। এমনটাই জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের নির্দেশ কার্যকর হল না কিনা, তার জন্য কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট পাঠাতে হবে।

সত্যিই কি সুপ্রিম নির্দেশে কাজে যোগ দিচ্ছেন কর্মচ্যুতরা! তা শোনার পরেই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, এটা করা যায় না। এখনও মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগ করতে বলেনি। আগামীকাল মামলার শুনানি রয়েছে। সেখানেই দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বর্ষীয়ান আইনজীবী।
সুপ্রিম নির্দেশে কাজে যোগ দিচ্ছেন কর্মচ্যুতরা, বিকাশের মন্তব্যে নতুন করে আলোড়ন

এর আগে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। গত ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রুপ ডি পদে ১৯১১ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ এয় আদালত। এরপর ৩ মার্চ নবম ও দশমে ৬১৮ জন সহকারী শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেয়। পরেয়ারও ১৪৭ জনের চাকরি বাতিল হয়। ৮৪২ জন গ্রুপ সি পদে চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরিহারারা। পরে সুপ্রিম নির্দেশে চাকরি ফিরে পাচ্ছেন সাড়ে তিন হাজার জন।



