অবশেষে গ্রেফতার সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। ৫৫ দিন পর পুলিশের জালে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা। স্থানীয় সূত্রে খবর, সন্দেশখালির (Sandeshkhali)আকুঞ্জিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। আজই পেশ করা হবে বসিরহাট আদালতে। গত দেড়মাস ধরে এই একটিই নাম রাজ্য তথা গোটা দেশের খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল।

আরও পড়ুন :ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের গুজব, ভয় নেমে পড়া যাত্রীদের পিষে দিল উল্টো দিক থেকে আসা আসানসোল-ঝাঁঝা এক্সপ্রেস
যা রীতিমত নাড়িয়ে দেয় রাজ্য মহিলা কমিশন থেকে শুরু করে জাতীয় মহিলা কমিশন, জাতীয় আদিবাসী কমিশন পর্যন্ত। গত রবিবার প্রকাশ্যে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “কোথাও কোনও সংশয় রাখবেন না, যে শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) আড়াল করা হচ্ছে। শাহজাহানকে যদি কেউ আড়াল করে, তাহলে সেটা জুডিশিয়ারি ডিপার্টমেন্ট।”

এরপর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানান, আগামী সাত দিনের মধ্যেই গ্রেফতার হবেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান। দলের সাত দিনের ডেডলাইনের ৩দিনের মাথায় গ্রেফতার হলেন তিনি। কিছুদিন ধরে সেখানকার মানুষ ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে। উঠে আসতে থাকে একের পর এক অভিযোগ। গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, জমি দখলের। এরপর গ্রামের মহিলারা সংগঠিত হন। ধীরে ধীরে উঠে আসে শিবু হাজরা, উত্তম সর্দাররা।

৫৫ দিন পর গ্রেফতার, অবশেষে পুলিশের জালে সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা
শিবু-উত্তমদের বিরুদ্ধে উঠে আসতে থাকে নারী নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। লাঠি-বাঁশ হাতে রাস্তায় নামে গ্রামের আদিবাসী মহিলারা। সে বিক্ষোভ থেকে উঠে আসতে থাকে নারী নির্যাতনের একের পর এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ। দলীয় কার্যালয়ে রাতে ডেকে নিগ্রহেরও অভিযোগ ওঠে। বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা আগুন ধরিয়ে দেন শিবু-উত্তমের বাগানবাড়ি, মাছের ভেড়িতে। সর্বপ্রথম গ্রেফতার হন উত্তম সর্দার। তখনও শিবু অধরা। গ্রামে তখনও জ্বলছে বিক্ষোভের আগুন। অবশেষে পুলিশের জালে বাংলার বাঘ।



