নজরবন্দি ব্যুরোঃ হেভিওয়েট নতুন সঙ্গীর সাথে বাংলার জুলিয়েট, সময় বদলে দেয় সব সমীকরণ। সত্যিই তাই। এই মুহূর্তে যেহারে বদলাচ্ছে রাজ্যের রাজনীতির সমীকরণ, সূত্র বলছে তার থেকেও বেশি দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনীতির অন্দরে কারো কারোর ব্যাক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ। এক সময় বলেছিলেন ভাইফোঁটা দেবেন, এবার তাঁর সঙ্গেই কিনা এক হোটেল রুমে! তাঁরা রাজ্যের দুই জনপ্রিয় নেতা-নেত্রী! এবং যথেষ্ট প্রভাবশালীও।
আরও পড়ুনঃ নতুন বছরে নতুন রুপে লোকাল ট্রেন, কামরাতেই যাত্রী বিনোদনের ব্যাবস্থা।


বেশ কয়েকবছর ধরে লাইমলাইটে রয়েছেন রাজ্যের এই নেতা নেত্রী জুটি। রাজনীতির জন্য যতটা তার থেকেও বেশি রয়েছেন ব্যক্তিগত কারণে। এবার বিতর্ক আরো একধাপ এগিয়ে। জনপ্ৰিয় নেত্রীর নামে আগে বিতর্ক উঠেছে সংসার ভাঙা নিয়ে । বিশেষ বন্ধুর সঙ্গে থাকবেন বলে তাঁরই ঘর ভেঙেছেন । যদিও তাঁরা প্রকাশ্যে কোনোদিন নিজেদের প্রণয়ের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি। সবসময় বলেছেন তাঁরা একে অপরের খুব ভালো বন্ধু, পরস্পরকে নাকি সন্মান ও করেন খুব।
বাংলা তাঁদের বাংলার রোমিও জুলিয়েট এর তকমাও দিয়েছে। একসাথে সবজায়গায় যাওয়া থেকে ম্যাচিং করে পোশাক পরা, সেই নিয়ে কম কাদা ছোড়াছুঁড়ি হয়নি। আজ তাঁরা বিজেপি দলের নেতা নেত্রী। পেয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পদ। আগে নিজেদের বর্তমান দলে ব্রাত্য থাকলেও রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পেয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পদ।
হেভিওয়েট নতুন সঙ্গীর সাথে বাংলার জুলিয়েট? সূত্র বলছে, বাইপাসের ধারে এক নামকরা হোটেলে নাকি মাঝে মধ্যেই দেখা যাচ্ছে সেই নেত্রীকে। সাথে আছেন তার বিশেষ বন্ধুত্বও, তবে খবর এটাই যে বিশেষ বন্ধুর সঙ্গে নয়, নেত্রীকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা দেখে অন্য আরেক জনের সঙ্গে। সূত্রের দাবি তিনি বিজেপির একজন হেভিওয়েট নেতা এবং রাজ্যের বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। অনেকেই বলছেন যে তাদের বেশ ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গিয়েছে।


ফলে প্রশ্ন উঠছে যে ভোটের আবহে এক নতুন প্রেম কাহিনীর সাক্ষী থাকতে চলেছে বঙ্গ রাজনীতি! হয়তো কেউ আন্দাজ করতে পারছেন এখানে কাদের কথা বলা হচ্ছে। হয়তো অভিযোগ উঠবে যে তাঁদের কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কিন্তু সত্যিই কি তাই! নাকি গল্পের অন্দরমহন অনেকদূর বিস্তৃত?







