মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বহু আলোচিত ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণ নিয়ে আজ থেকেই শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায়। বুধবার সকালেই কোরান পাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১২০০ কণ্ঠে ধর্মীয় পাঠের আয়োজন ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও রাজনৈতিক আলোড়ন।
ভরতপুরের বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর সকালেই পৌঁছে যান অনুষ্ঠানস্থলে। সেখান থেকেই তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর মেয়ে ও জামাইকে ঘিরে রাজনৈতিক চক্রান্ত করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ১৪ ফেব্রুয়ারি বহরপুরে এসপি অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দেন তিনি, যেখানে এক লক্ষ মানুষের জমায়েতের লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
গত ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই সময়ই তিনি দাবি করেছিলেন, নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমিও প্রস্তুত রয়েছে। তবে এই ঘোষণার পর থেকেই তাঁর সঙ্গে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দূরত্ব বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল।
তবুও নিজের অবস্থান থেকে সরেননি হুমায়ুন। বুধবার রেজিনগরে ১২০০ কণ্ঠে কোরান পাঠের আয়োজনের পাশাপাশি ‘বাবরি যাত্রা’-রও সূচনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই যাত্রা নদিয়ার পলাশি থেকে শুরু হয়ে উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত যাবে।
এদিন সকালে হুমায়ুন কবীর জানান, আগামী দু’বছরের মধ্যেই মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মেয়ে ও জামাইয়ের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রসঙ্গে সরব হয়ে তিনি বলেন, “আমার মেয়ে-জামাইয়ের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। এটা আমি সহ্য করব না। সবকিছুর প্রমাণ দেব। ১৪ ফেব্রুয়ারি এসপি অফিস ঘেরাও করা হবে।”



