নজরবন্দি ব্যুরোঃ দশ নয় আটটি দল নিয়েই আগামী আইপিএলের পরিকল্পনা ভারতীয় বোর্ডের। করোনা পরিস্থিতিতে আইপিএল পিছিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত আরবদেশে বায়ো বাবল পরিবেশে টুর্নামেন্টের সফল আয়োজন করে ভারতীয় বোর্ড। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আইপিএল করার ফলে বোর্ড ক্ষতির মুখে পরার আশঙ্কা থাকলেও আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙ্গে স্যাটেলাইট ব্রডকাস্টিং এ সবচেয়ে বেশি লাভ করে বোর্ড।
আর পড়ুনঃগ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়ার লক্ষ্যে নতুন বিধি আনল কেন্দ্র সরকার।
আরবে সফল আইপিএল আয়োজন হলেও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি জানিয়ে দেন আগামী আইপিএল আয়োজন করা হবে ভারতেই। এছারা মোট দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৮ থেকে ১০ করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেক্ষেত্রে সমস্ত প্লেয়ারকে নিলামে তুলে মেগা নিলাম আয়োজন করার পরিকল্পনাও করেছিল ভারতীয় বোর্ড। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মার্চ এপ্রিলেই আয়োজিত হবে পরবর্তী আইপিএল। সেক্ষেত্রে হাতে থাকছে মাত্র তিন চার মাস। এদিকে আগের থেকে কোভিড পরিস্থিতির আগের থেকে উন্নতি হলেও এখন মুক্তি মেলেনি এই অতিমারি থেকে।
এমন অবস্থায় খুব কম সময়ের মধ্যে নতুন দুই দলের সংযোজন না করে এবারের মত বোর্ড আট দলেরই আইপিএল আয়োজনের কথা ভাবছে বলে সুত্রের খবর। যে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বোর্ডের আসন্ন বার্ষিক সাধারণ সভায়। বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ২০২২ আইপিএলে দুই দলকে যুক্ত করে ১০ দলের আইপিএল আয়োজন করতে পারে বোর্ড। কারন করোনা পরিস্থিতিতে ফের মেগা নিলাম আয়োজন এবং মোট ম্যাচের সংখ্যা বাড়ার কারনে অনেক বোর্ড কর্তাই এবারের লিগে নতুন দল সংযোজনের পক্ষপাতী নয়।
এছাড়া এবার আট দলের আইপিএল হলে বোর্ড ফ্র্যাঞ্জাইজি উভয়পক্ষই লাভবান হবে বলে মনে করছে বোর্ডের একাংশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তার কথায় এখন না হলে আগামী ফেব্রুয়ারি মার্চে বোর্ড চাইলে নতুন দলের জন্য দরপত্র ডাকতে পারে। তবে এবার আট দলের আইপিএলেই লাভ হবে বোর্ড ফ্র্যাঞ্জাইজি উভয় পক্ষের। আর্থিক দিক থেকেও অনেকটাই লাভবান হবে তারা। প্রসঙ্গত নতুন দলের মালিকানা পেতে গুজারাটের শিল্পপতি , আদানি উইলমার থেকে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার মত বড় নাম মাঠে নামতে পারে বলে শোনা যাচ্ছিলো।
দশ নয় আটটি দল নিয়েই আগামী আইপিএলের পরিকল্পনা ভারতীয় বোর্ডের। প্রসঙ্গত সঞ্জীব এর আগে দুই বছরের জন্য খেলা পুনে দলেরও মালিকানা নিয়েছেন। এছাড়া দক্ষিনি সুপারস্টার মোহনলাল বাইজুর সঙ্গে দল কিনতে পারেন বলেও শোনা যাচ্ছিলো। তবে আপাতত তা স্থগিত হচ্ছে বলাই যায়। যে সিদ্ধান্তে শিলমোহর দেবে বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভা।



