নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইডেনের গ্যালারি থেকে শনিবার ব্যঘ্র গর্জন শোনা গেল ঠিকই। কিন্তু সাকিব-লিটনদের পারফরম্যান্স চূড়ান্ত হতাশ করল তাঁদের সমর্থকদের। যে কারণে রাত ৮টার দিকেই ইডেন ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় বাংলাদেশের সমর্থকদের। ডাচ সমর্থকরা অবশ্য তেমনটা করেননি। কলকাতায় ম্যাচ হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে প্রচুর ক্রিকেট প্রেমীরা এসেছিলেন সাকিব-তাসকিনদের সমর্থনে।
আরও পড়ুন: এত চিন্তা হলে বালুর হয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজে জেলে যান, সরাসরি মমতাকে নিশানা সুকান্তর
তাঁরা প্রিয় দলের জন্য ক্রিকেটের নন্দনকাননের গ্যালারি থেকে গলা ফাঁটালেন। কিন্তু প্রিয় দলের ক্রিকেটারদের থেকে ১০০ শতাংশ পারফরম্যান্স পেলেন না। ডাচরা যে কারণে ৮৭ রানের ব্যবধানে এই ম্যাচ জিতে নিল।অথচ এই টুর্নামেন্ট শুরুর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট সমর্থকদের একটা বড় অংশ বুক বাজিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপজয়ের দাবিদার হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছিলেন।

কেউ কেউ আবার দাবি করছিলেন, অন্তত সেমিফাইনাল তাঁরা খেলবেনই। কিন্ত এই বাংলাদেশ দলের খেলা দেখে মনে হচ্ছে, তাঁদের একটাই ঠিকানা সেটা হল ঢাকা ফেরার বিমান। শাকিবদের স্বপ্ন ছিল বিশ্বকাপের শেষ চারে খেলা। ৬ ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের যা অবস্থা, তাতে শেষদিক থেকে চার নম্বরে শেষ করাটাও এখন যেন স্বপ্নের মতো। ৫০ ওভারে ২২৯ রানের টার্গেট দেয় নেদারল্যান্ডস।
ডাচদের কাছে লজ্জার হার সাকিব-লিটনদের, বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ টাইগারদের

আর তা তাড়া করতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়লেন শাকিব আল হাসানরা। মোট ১৪২ রান করে ৪২.২ ওভারের পর আর ইডেনের উইকেটে টিকতে পারেনি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে মেহদি হাসানের ৩৫ ও শেষদিকে মুস্তফিজুরের ২০ রান ছাড়া নেদারল্যান্ডসের সামনে কোনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। কেন তামিম ইকবালের মতো প্লেয়ারকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে এল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।



