এবার শোভনের বাড়ি কিনে নিয়ে রত্নাকে বাড়ি ছাড়া করার হুমকি দিলেন বৈশাখী

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শোভন-বৈশাখী, এই নাম দুটো শুধু বাংলার রাজনীতিতে নয় সারা বাংলার মানুষের কাছে অজানা নয়। এই জুটির রাজনৈতিক কর্ম কান্ড থেকে ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন পদক্ষেপ আজ বাংলার মানুষ জানেন। সেখানে কিছু মানুষের কাছে তাঁরা হাসির পাত্র আবার কিছু মানুষ তাঁদের নিয়ে বিরক্ত। তাঁদের নিয়ে এই যখন অবস্থা ঠিক তখনই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বেহালার বাড়ি কিনে নিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতার পাড়ায় প্রচার করতে পারবেন না শ্রীজীব, মেইল করে জানালো পুলিশ

আর বাড়ি কেনার পরেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন শোভনবাবুর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়কে সসম্মানে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে। আর তিনি যদি না যান তাহলে আইনের পথে হাঁটবেন বলে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিলেন বৈশাখী। কিন্তু কেন এই বাড়ি বিক্রি হল? সুত্রের খবর রত্নার সঙ্গে ডিভোর্স-সহ বেশ কিছু মামলার খরচ এই মুহূর্তে চালাতে হচ্ছে শোভনবাবুকে।

এবার শোভনের বাড়ি কিনে নিয়ে রত্নাকে বাড়ি ছাড়া করার হুমিক দিলেন বৈশাখী

কিন্তু এখন তেমন কোনও রোজগার না থাকায় আইনি খরচ চালাতে সমস্যায় পড়ছেন শোভন। এই অবস্থায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় টাকা দিয়ে সাহায্য করবেন বলে জানান। আর সেই সাহায্যের বিনিময়ে শোভন বাবু তাঁর বাড়ি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে লিখে দিয়েছেন।

এবার শোভনের বাড়ি কিনে নিয়ে রত্নাকে বাড়ি ছাড়া করার হুমিক দিলেন বৈশাখী
এবার শোভনের বাড়ি কিনে নিয়ে রত্নাকে বাড়ি ছাড়া করার হুমিক দিলেন বৈশাখী

আর এই নিয়ে শোভন প্রেমিকা বৈশাখী জানান, ‘আমি শোভনবাবুকে জানিয়েছিলাম আমার সবকিছুই তিনি ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু উনি বিনামুল্যে আমার সাহায্য নিতে চাননি। ওর যেহেতু এখন আয় বন্ধ, আইনি খরচ চালাতে সমস্যা হচ্ছিল, তাই আমার কাছে বেহালার বাড়িটি বিক্রি করে দিয়েছেন।’

এবার শোভনের বাড়ি কিনে নিয়ে রত্নাকে বাড়ি ছাড়া করার হুমিক দিলেন বৈশাখী

উল্লেখ্য কয়েকদিন আগেই স্বামী মনোজিত মণ্ডলের থেকে ডিভোর্স চেয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় বৈশাখী জানিয়েছিলেন, মনোজিতের সাথে ডিভোর্স চান তিনি। তবে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হবে কিনা, সেটা ভবিষ্যত বলবে। তাঁর কথায়, “মনোজিতের জীবনে এমন কেউ এসেছেন, যিনি বাড়িতে যাতায়াত করছেন, একসঙ্গে বেড়াতেও যাচ্ছেন, সেখানে আমার মনে হয় মনোজিতকে আমার সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্ক থেকে মুক্ত করে দেওয়া দরকার।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত