নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাবুল বিহনে মুহ্যমান ভারতীয় জনতা পার্টি। সাংবাদিকদের সর্বদা সোজাসাপ্টা জবাব দেওয়া দিলীপ ঘোষও কিছুটা ডিফেন্সিভ! সব সময় স্ট্রেইট ব্যাটে খেলা বিজেপি রাজ্য সভাপতি যেন একটু বেশিই মিতবাক। কিন্তু কেন? বাবুলের সমালোচক হিসেবে সুনাম রয়েছে দিলীপের। কিন্ত এবার দলবদলে দিলীপ কে তুলোধনা করলেন বাবুল। এতদিন পরে বাবুল সুপ্রিয় বুঝেছেন দিলীপ ঘোষের ভাষাজ্ঞান নেই!
আরও পড়ুনঃ বাবুলের পর এবার সুনীল, জল্পনা শেষ
গতকাল বাবুলের তৃণমূল যোগে কিছুটা ব্যাকফুটে থাকা দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, ‘‘আমি কিছু বলব না। যা বলার দিল্লি বলবে। দলের মুখপাত্র সাংবাদিক বৈঠক করে বলবেন।’’ কিন্তু তারপর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই সুরবদল করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। আবেগের বশে দলবদল করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। আর দিলীপের এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁর ভাষাজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেদিলেন বাবুল সুপ্রিয়।
এদিন স্ট্রেইট ব্যাটে কার্যত দিলীপ ঘোষের বাউন্সার কে ছয় মারেন বাবুল। বলেন, “ওঁর মন্তব্যের কোনও জবাব আমি দেব না। তবে দিলীপদার সঙ্গে দেখা হলে আমি ওঁকে বর্ণপরিচয় উপহার দেব। আমার মনে হয় দিলীপদাকে বাংলা ভাষা নতুন করে শিখতে হবে। উনি যেটা বলেন, সেটা বাংলা নয়। উনি বাংলা ভাষাকে কলুষিত করেন। ভদ্র বাংলা ভাষা কী সেটা ওঁর জানার প্রয়োজন আছে। বিরোধিতা করা ওঁর কাজ। সেটা করুন। কিন্তু বাংলা ভাষা ওঁকে শিখতে হবে।”
দিলীপ ঘোষের ভাষাজ্ঞান নেই, এতদিনে বুঝলেন বাবুল!

উল্লেখ্য এর আগেও দিলীপের সাথে সংঘাতে জড়িয়েছেন বাবুল। মন্ত্রীত্ব যাওয়ার ক্ষোভে বিদ্রোহ না করলেও ব্যাথিত বাবুল কিছু মন্তব্য করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেটার পরিপ্রেক্ষিতেই দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করেছিলেন বাবুল কে। ইকোপার্কে জগিং করতে করেতে বাবুল প্রসঙ্গে দিলীপ বলেছিলেন, “বাবুল সক্রিয় মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু মন্ত্রী থাকাকালীন তো মুখ্যমন্ত্রী কম গালমন্দ করেননি। এখন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন বাবুল।” তখন বাবুল পালটা লিখেছিলেন, আমার “হাঁফ ছেড়ে বাঁচাতে” দিলীপদা আনন্দ পেয়েছেন এতেই আমি আনন্দিত! উনি রাজ্য সভাপতি – সবার শ্রদ্ধার পাত্র!



