নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝাড়খণ্ড কান্ডে তদন্তে নেমে তৎপরতা বাড়িতে সিআইডি। এদিন তিন বিধায়কদের সিসিটিভি ফুটেজ চাইতে গুয়াহাটি বিমানবন্দরে উপস্থিত হন সিআইডির আধিকারিকরা। অসম পুলিশ তাঁদেরকে গ্রেফতারে করেছে বলে জানা গিয়েছে। ঝাড়খণ্ড কান্ডে গুয়াহাটিতে আটক সিআইডি, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Jharkhand: ঝাড়খণ্ড কাণ্ডে আটক ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগরওয়াল, হাসপাতালে ভর্তি
সিআইডি সূত্রে খবর, গত শুক্রবার ওই তিন বিধায়ক গুয়াহাটি বিমানবন্দরে উপস্থিত হন।সেখান থেকে তাঁদেরকে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের তরফে গাড়ি পাঠানো হয়েছিল বলে জানতে পারে সিআইডি। সেই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার জন্য আজ দুপুরে উপস্থিত হন সিআইডির আধিকারিকরা। এর জন্য বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠিও দেওয়া হয়েছিলবলে জানিয়েছেন তাঁরা। এরপরেই তাঁদেরকে জোর করে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
উল্লেখ্য, শনিবার হাওড়ার পাঁচলার একটি গাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় আটক করা হয় তিন প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়কদের। রাজেশ কাচ্ছাপ ও নমন কোঙ্গারি, ইরফান আনসারি রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করে পরে তাঁদেরকে আটক করা হয়। গাড়ির মধ্যে থাকা সকলকে গ্রেফতার করা হয়।

রবিবার বিকেলেই বার্মোর বিধায়ক কুমার জয়মঙ্গল সিং বলেন, ঐ তিন জন বিধায়কদের তরফে দলবদলের প্রস্তাব এসেছিল। বলা হয়েছিল বিধায়কদের অসমে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রত্যেক দলবদলু বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১০ কোটি টাকা এবং মন্ত্রীপদ। এরপরেই বেড়েছে সিআইডির তৎপরতা।
সিআইডি সূত্রে খবর, হেফাজতে নেওয়া ওই তিন বিধায়ক দাবি করেছেন গত মাসের প্রথম দিকে তাঁরা অসমে গিয়েছিলেন। সেখানে এক মধ্যস্থতাকারীর উপস্থিতিতে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে। ধৃত তিন বিধায়কদের নাম রাজেশ কাচ্ছাপ ও নমন কোঙ্গারি, ইরফান আনসারি। তিনজনের প্রথমে বিমানে করে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে বিমানে করে আসলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা ছিল বলে অন্যহাত হয়ে টাকা ঘুরেছিল।
ঝাড়খণ্ড কান্ডে গুয়াহাটিতে আটক সিআইডি, কিসের ইঙ্গিত

এদিন সকালেই দিল্লিতে সিআইডির আধিকারিকদের বাধা দেওয়ার কথা উঠে আসছিল। সিআইডির আধিকারিকদের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের কাছে সার্চ ওয়ারেন্ট থাকলেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে অমের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।



