নজরবন্দি ব্যুরোঃ কালীঘাটে এসে মাথা মুড়িয়ে আদিগঙ্গায় স্নান করেছিলেন ত্রিপুরার সুরমার বিধায়ক আশিস দাস। যোগদান করেছিলেন ত্লৃণমূলে। শুক্রবার দল ছাড়লেন ত্রিপুরার সেই নেতা। অভিযোগ করলেন, ত্রিপুরায় ভোট ভাগাভাগি করে বিজেপিকেই আখেরে সুবিধা করে দিচ্ছে তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ Raju Bista: বিমল গুরুংয়ের আন্দোলনের পাশে রয়েছি, দেখা করতে যাবেন রাজু বিস্ত
শুক্রবার সাংবাদিক সম্মলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে দল ছাড়লেন তৃণমূল নেতা। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে দলবাজি বেশি। দলে আমাকে কোণঠাসা করে রাখা হচ্ছে। এখানে কাজের পরিসর নেই। ভোট ভাগাভাগির লড়াইয়ে বিজেপিকেই আদতে সুবিধে করে দিচ্ছেন তিনি। যে উৎসাহ নিয়ে তৃণমূলের যোগদান করেছিলেন, সেই উৎসাহ শেষ হয়ে গেছে।

শোনা যাচ্ছিল আগামী নির্বাচনে সুরমা থেকেই আশীষকে প্রার্থী করার পরিকল্পনা ছিল তৃণমূলের। কিন্তু দলবদলের পর এখন সেই জল্পনা শেষ হয়েছে। কংগ্রেস থেকে বিজেপি হয়ে তৃণমূল। এখন আশীষের ভবিষ্যত কী? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
বিজেপিকেই আখেরে সুবিধা করে দিচ্ছে তৃণমূল, ত্রিপুরায় তৃণমূলের বড় ধাক্কা

এবিষয়ে ত্রিপুরার তৃণমূল সভাপতি সুবল ভৌমিক জানিয়েছেন, ও কোনও আমাদের সঙ্গ দেয়নি। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নেওয়ার পর সেভাবে কোনও দলীয় কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। এখন ধারাবাহিকভাবে একাধিক মন্তব্য করে চলেছে। আমি ওর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্য করব না। বিধায়ক হয়ে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের তিন বছর যায়নি। তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি রাও বলেন,
ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের একজন কর্মী হিসেবে আমি বলতে পারি অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ত্রিপুরা নিয়ে কতটা আন্তরিক ও আবেগপ্রবণ। এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে ত্রিপুরায় আমাদের ৯০% যে অর্জন সেটি তাঁর কারণে। গত ১০ মাসে, আমি কমপক্ষে ৪০০ জন রোগীকে [চিকিৎসার জন্য বাংলায়] কলকাতায় পাঠিয়েছি এবং আমি আপনাকে নিশ্চিত করে বলতে পারি যে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে ত্রিপুরার এইসব লোকেরা তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা পেয়েছে।
ত্রিপুরা নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্বেগের কোনো প্রমাণের প্রয়োজন নেই। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী হিসাবে, আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি যে ত্রিপুরা একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে কারণ তিনি আমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। দেশে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো যুব নেতা আর কেউ নেই।



