রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডারের অঙ্ক বাড়ার ঘোষণার পরই রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট—মহিলাদের সমর্থনই হবে ভোটের মূল অস্ত্র। সেই আত্মবিশ্বাসেই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বিপুল জয়ের দাবি করলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর কথায়, নতুন বাজেটের সামাজিক প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের মন জিতবে, আর তার ফল মিলবে ভোটবাক্সে।
মঙ্গলবার রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা হতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এই প্রকল্প ভোটে বড় প্রভাব ফেলে—এ কথা শাসকদলের নেতারাও বারবার বলেছেন। বাজেট ঘোষণার পরই বোলপুরে মিষ্টি বিলির আয়োজন করে তৃণমূল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।


মহিলাদের সঙ্গে মিষ্টি বিলির মধ্যেই ফুরফুরে মেজাজে ধরা দেন তিনি। সেখানেই জানান, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ২৩০ থেকে ২৫০ আসন পাবে। তাঁর দাবি, বাজেটে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন মহিলারা, কারণ লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বাড়ানো হয়েছে।
অনুব্রত বলেন, কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য বিশেষ কিছু ঘোষণা হয়নি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজেট সাধারণ মানুষ, বেকার যুবক-যুবতী এবং দিনমজুরদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি। লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাশাপাশি আশা কর্মীদের ভাতা, সিভিক ভলান্টিয়ারদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি এবং ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুব্রত বলেন, এই বাজেট প্রমাণ করে সরকার সব স্তরের মানুষের কথা ভাবছে।


তবে আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের মূল কৌশল কী হবে, তা এখনই প্রকাশ করতে চাননি তিনি। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে অনুব্রতের সংক্ষিপ্ত জবাব, “সেটা পরে।”







