‘কী এমন করেছে যে বাংলায় ২০০ সিট পাবে’? বিজেপিকে এক হাত অনুব্রতর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: ‘কী এমন করেছে যে বাংলায় ২০০ সিট পাবে। তোমরা বাংলাকে ঘেন্না করো। তোমরা বাংলার সংস্কৃতি জানো না।’ সোমবার আউশগ্রামে বললেন বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এদিন নজিরবিহীনভাবে বিজেপি শিবিরকে কটাক্ষ করেন বীরভূমের ভূমিপুত্র।

আরও পড়ুন: ‘আপনি একজন মহিলা, বেশি কিছু করতে পারছি না’, বিতর্কিত মন্তব্য কংগ্রেস বিধায়কের

আসন্ন ভোটকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলা। চলছে একে অপরকে আক্রমণের পালা। সকলেই একে ঝাপিয়ে পড়েছেন রাজনৈতিক ময়দানে। সোমবার তৃণমূল ও বিজেপির বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে রাজনৈতিক আঙিনা। একদিকে যখন অনুব্রত মণ্ডল আউশগ্রামে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ান ঠিক তেমনই অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী তথা সংগ্রামের গড় নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হাই ভোল্টেজ সভায় সুর চড়ান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেখানে তিনি বলেন, অনেকে বড় বড় কথা বলে, সিঙ্গুর থেকে আন্দোলন শুরু হয়। তাপসী মালিকে অত্যাচার করে হত্যা করা হল। ১৪ মার্চ গুলি চলেছে। আমি আন্দোলন করেছিলাম। কেন্দ্রীয় সরকারও সেটা বলতে বাধ্য হয়েছিল। ১৪ মার্চ ২৬দিন অনশন করেছিলাম। সেই সময় আমার শরীর খারাপ হয়। আমি ডাক্তারদের কাছে গিয়েছিলাম, তখন শুনলাম গুলি চলছে। আমার গাড়ি ঘিরে ধরে পেট্রোল বোমা আমাকে জ্বালিয়ে দিত চেয়েছিল। সেই সময়ে গর্ভনর আমাকে বলেছিল ফিরে আসতে। কিন্তু আমি ফিরে আসিনি। কোলাঘাটের বাড়িতে ঢোকার সময়ে দেখি বড় বড় বাস দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে টপকে যেতে হয়েছিল। আনিসুরকে আজও জেলে রাখা হয়েছে। ওর বাইকে করে আমি আর ও গেলাম।

 ‘কী এমন করেছে যে বাংলায় ২০০ সিট পাবে’, এদিন নন্দীগ্রামের সভা থেকে মমতা বলেন, আমি কারোর কাছে জ্ঞান দেবো না। কে নন্দীগ্রাম আন্দোলন করেছে। সেইসব দিন আমরা দেখেছি। কীভাবে জ্যান্ত মানুষগুলোকে হত্যা কর হল। নন্দীগ্রামের আত্মিক টান ছিল-আছে থাকবে। ভুলতে পারি নিজের নাম। ভুলবো না নন্দীগ্রাম। এটা নিয়ে আমার বই আছে। আজ নন্দীগ্রাম অনেক উন্নত হয়েছে। কৃষাণ মান্ডি হয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত