নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় গত ১১ অগাস্ট থেকে জেলবন্দী রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। ইতিমধ্যেই তাঁকে হেফাজতে নিয়েছে ইডি। অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই মামলার রায়দান স্থগিত রাখা হল। পঞ্চায়েত ভোটের বীরভূম নাকি দিল্লি, কেষ্টর ভবিষ্যত কী হবে? তা নিয়ে ক্রমাগত প্রশ্নের জট পাকাতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুনঃ Subiresh Bhattacharya: সুবীরেশকে হেফাজতে নিল সিবিআই, বদলাবে তদন্তের গতিপ্রকৃতি
এদিন সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে শুরু হয় কেষ্ট মামলার শুনানি। প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে ইডির পেশ করা সমস্ত তথ্য শোনেন বিচারক। এদিন আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা নয়। আর্থিক তছরুপের ঘটনা যেখানে ঘটেছে সেখানে মামলা শোনা হোক। কিন্তু অনুব্রতকে দিল্লির সদর দফতরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাছোড়বান্দা ইডি।

অন্যদিকে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের মামলার শুনানিতেও ফাঁপড়ে পড়েছেন তৃণমূল নেতা। তদন্তকারীদের তরফে বারবার বলা হচ্ছে, সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন তিনি। এমনকি অনুব্রতর বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগীতার অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে বিচারপতির বক্তব্য, যারা জামিন পেয়েছেন তাঁদের থেকে মামলাকারী অনেক বেশী প্রভাবশালী। বিচারক নিজেই হুমকি পেলে সেটা আদালত কী করে তুচ্ছ করে দেখবে? আদালত কখনই বিষয়টিকে লঘু করে দেখতে পারে না।
ভোটের আগে বীরভূম নাকি দিল্লি, কেষ্টর ভবিষ্যত হবে কী?

সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মনোজ সানা এই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। তিনি এখন নিরুদ্দেশ। সেই সাক্ষীর বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। একদিকে, অনুব্রত মণ্ডলকে হেফাজতে নিতে মরিয়া কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, জামিনের জন্য মরিয়া অনুব্রতও। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বীরভূমে ফিরবেন কেষ্ট? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।



