নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি অবধি জেলেই কাটাতে হবে গরু পাচার মামলার অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে। গত ১১ অগাস্ট গরু পাচার মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তারপর থেকেই জেলেই থাকতে হচ্ছে বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। বৃহস্পতিবার অনুব্রতর জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও বাড়ল।
আরও পড়ুনঃ Jacinda Ardern: প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন জাসিন্ডা, সরগরম নিউজিল্যান্ড
এদিন আদালতের সামনে অনুব্রতর জামিনের আবেদন জানাননি আইনজীবীরা। যার ফলে আধঘন্টা শুনানির পরেই তাঁকে ফের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেয় আসানসোলের বিশেষ আদালত। তবে এদিন আদালতের সামনে এখনও অবধি অনুব্রত মণ্ডল সম্পর্কে যে সমস্ত তথ্য পাওয়া গেছে, তা রিপোর্ট আকারে পেশ করা হয়।

সেই রিপোর্টের মধ্যে ছিল সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া ১৭৭ টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট। সেখানে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ১৭৭ টি অ্যাকাউন্ট কীভাবে এল? কেন এর সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের যোগ পাওয়া যাচ্ছে? প্রশ্ন করেন বিচারক। উত্তরে সিবিআই অফিসার বলেন, এই ১৭৭ টি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ঘুরপথে দুটি অ্যাকাউন্টে গেছে। যার সঙ্গে দুটি রাইস মিলে গেছে। ১৭৭ টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে রয়েছে অনুব্রতর যোগ রয়েছে বলেই দাবি করছে সিবিআই।
এরপরেই বিচারকের প্রশ্ন ছিল, একই ব্যক্তি বারবার ফর্মে সই করেছেন বলে দেখা যাচ্ছে। উত্তরে সিবিআই জানিয়েছে, ২০০ টি অ্যাকাউন্ট একই ব্যক্তি সই করেছেন। যাদের নামে সই করা হয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত অফিসে আধার কার্ড জমা করতেই তাঁদের নামের অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।
১৭৭ টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে রয়েছে অনুব্রতর যোগ, ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

এর আগে সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্কে হানা দেয় সিবিআই অফিসাররা। সেখান থেকে ১৭৭ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ মেলে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে জানা যায়। যেখানে প্রত্যেক গ্রাহকের সই প্রায় এক বলেই জানা যায়। সিবিআই আধিকারিকদের ধারণা, কৃষকদের থেকে অল্প দামে নগদে ধান কিনে তা চালকলগুলিতে চাল করে রাজ্যের খাদ্য দফতরের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।



