নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১০ সালে মঙ্গলকোটের ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডল বেকসুর খালাস, ঘোষণা করল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ আদালত। তথ্য-প্রমাণের অভাবে বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল সহ ১৪ জনকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল কাজল শেখ সহ একাধিক ব্যক্তিদে। সকলকেই বেকসুর খালাস ঘোষণা করে দিল আদালত।
আরও পড়ুনঃ Elizabeth II: চলে গেলেন দ্বিতীয় এলিজাবেথে, একটি যুগের অবসান হল
এমনিতেই গরু পাচার মামলায় আসানসোল সংশোধনাগারে রয়েছেন তিনি। শুক্রবার সকালে তাঁকে আসানসোল জেল থেকে বিধাননগর এমপি এমএলএ আদালতে নিয়ে আসা হয়। তখনই দিদির বার্তায় আশ্বস্ত হয়েছিলেন তিনি। আজ আদালতের নির্দেশে অনুব্রত মণ্ডল অনেকটা স্বস্তিতে।
উল্লেখ্য গরু পাচার মামলায় ১১ অগাস্ট অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য প্রমাণ জড়ো করতে শুরু করে সিবিআই আধিকারিকরা। গতকাল ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে দলের কর্মীদের বার্তা দেন কেষ্টকে বীরের মতো জেল থেকে নিয়ে আসতে হবে। তাতেই কিছুটা অক্সিজেন পান তিনি।

অনুব্রতর কথায়, জেলে তো কেউ থাকে না। একদিন ছাড়া পাবো৷ গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত যেন আরও অনেকটা কনফিডেন্ট৷ কারণ, গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেষ্ট ছাড়া পাবে৷ তাই আজ কেষ্ট নিজেই বলে উঠলেন জেলে কন্টিনিউ কেউ থাকে না, ছাড়া পায়। নিশ্চয়ই ছাড়া পাব, ছাড়া পেলে যাব। এ আর বলার কী আছে।
২০১০ সালে মঙ্গলকোটে বিস্ফোরণ হয়। সেই বিস্ফোরণ আহত হন বেশ কয়েকজন। বিস্ফোরণ মামলার চার্জশিটে নাম রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল ও কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ সহ ১৫ জনের। এরই মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। মঙ্গলকোটের সেই বিস্ফোরণের মামলায় আদালতে চলতি মাসের ১ তারিখে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। এদিন অনুব্রত এবং তাঁর সহযোগীদের সবকটি মামলা থেকে অব্যহতি দিল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ আদালত।
অনুব্রত মণ্ডল বেকসুর খালাস, ঘোষণা করল আদালত

এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, মঙ্গলকোটের একটি মামলায় আমাদের ১৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা করা হয়েছিল। আদালত আজ সকলকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেছে। তাঁর আইনজীবী বলেন, সত্যের জয় হয়েছে। সকলকে খালাস করে আদালত।



