নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআই হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডল। গোটা ঘটনায় তদন্তে নেমে অনুব্রতর একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই। এমনকি সিবিআই হেফাজতে থাকা দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের সঙ্গে যৌথ সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই। এবার তা নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। তিনি বলেন,সম্পত্তির বহরে পার্থকে টেক্কা দেবে কেষ্ট।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: সায়গলের সঙ্গে যৌথ সম্পত্তি অনুব্রতর, সিবিআইয়ের নজরে পুলিশ অফিসাররাও


তিনি বলেন, সিবিআই ৪৫ টি সম্পত্তির হদিশ পেলেও। আসলে সেটা ৪৫০ হবে। বীরভূম জেলার অর্থনীতির ৯০ শতাংশ কেষ্টবাবুর ওপর নির্ভর করে। যখন ডিমোনেটাইজেশন হয়েছিল, তখন কেষ্টবাবু বীরভূমে যত সোনার দোকান ছিল, এই সোনার দোকান সন্ধ্যেবেলায় বন্ধ হওয়ার পর, সমস্ত সোকান খুলিয়ে পুরানো টাকা দিয়ে সোনা কিনেছিলেন। সেই তথ্য তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন অনুপম হাজরা।

তাঁর কথায়, এই কেষ্ট ঠাকুরের বীরভূমকে নতুন করে রবীন্দ্রনাথের বীরভূমে পরিণত করার দায়িত্ব আমাদের। সেই প্রচেষ্টাই চলবে। এত তথ্য প্রমাণ রয়েছে কেষ্টবাবু, পার্থবাবুকেও ছাড়িয়ে যাবেন। যদি র্যাঙ্কিং করা যায়, তাহলে সম্পত্তির দিকে থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কেষ্ট বাবু রয়েছেন। অনুপম হাজরা আরও বলেন, উনি এখনও অবধি যা কামিয়েছেন, তাতে দেখা গেছে তিনি থেকে ৪ হাজার কোটি টাকার মালিক অনুব্রত মণ্ডল। তবে এটা আনুমানিক এবং এটা কমপক্ষে বলেও দাবি করেছেনহ তিনি। এর থেকে বেশীও হতে পারেন তিনি। অনুব্রত মণ্ডল দিয়ে শুরু হয়েছে শেষ হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়ে।
একটা বিষয়ে আশ্বস্ত করে অনুপম হাজরা বলেন, উনি গ্রেফতার হওয়ার কারণে একটা সুবিধে হল বীরভূমের মানুষ এবার ভোট দেওয়ার সাহস পাবে। কারণ, উনি সর্বদা বিরোধী শূণ্য রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন। মানুষকে ভোট দিতে দিতেন না। এবার মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে। তবে এর ফলে একাধিক নেতারা তৃণমূল ছাড়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে এমনটাও ইঙ্গিত দিলেন অনুপম।


সম্পত্তির বহরে পার্থকে টেক্কা দেবে কেষ্ট, বিস্ফোরক অনুপম

সিবিআই সূত্রে খবর, গরু পাচার কান্ডে তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডলের একাধিক বেনামী সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই। সেই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখেই চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে বেশ কয়েক তৃণমূল নেতা, মন্ত্রীদের যোগ রয়েছে। এমনটাই মনে করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।







