নজরবন্দি ব্যুরোঃ ত্রিভুজের তিন মাথার দু’টি এখন দিল্লিতে, এনামুল ও সায়গল এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতের মুঠোয়। অনুব্রতকে দিল্লি হাজির করাতে পারলেই এই তদন্তের অনেক দূর এগিয়ে যাবে তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু কোনভাবেই দিল্লি যেতে চান না অনুব্রত। পঞ্চায়েত ভোটের আগে যেভাবে হোক জামিন পাওয়াই তাঁর লক্ষ্য। কিন্তু ‘সে গুড়ে বালি’ কারণ বার বার বেঁকে বসছে দিল্লি হাইকোর্ট। পুনরায় শুনানির দিন পেছাল।
আরও পড়ুনঃ মানিক ছাড়াও রয়েছে পাঁচ জনের নাম, ১৬০ পাতার চার্জশিট জমা দিল ইডি
অভিযুক্ত সায়গল হোসেন ও বিনয় মিশ্র গরু পাচার সংক্রান্ত মামলাতেই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের এক্তিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করে দুটি মামলা করেন। সেই মামলা হাইকোর্টের বিচারপতি যশমিত সিং এর বেঞ্চে বিচারাধীন। এদিকে, সেই একই এফআইআর-এর অংশ হল অনুব্রত মণ্ডলের মামলাও। বুধবার সেই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভাম্বানির এজলাসে। এদিন অনুব্রতর আইনজীবী কপিল সিব্বল সওয়াল করেন, একই মামলার অংশ কেন আলাদা বেঞ্চে শুনানি হবে? এরপরই বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভাম্বানি অনুব্রতর দায়ের করা মামলাটি যশমিত সিং-র বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

গত ১১ অগস্ট অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সূত্রের খবর, তদন্তে অনুব্রতর নামে-বেনামে প্রচুর সম্পত্তির হদিশ মেলে। সেই সম্পত্তির উত্স এবং কালো টাকার রংবদল কীভাবে তা জানতে গত ১৭ নভেম্বর অনুব্রতকে টানা ৫ ঘণ্টা জেরা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ায় সেদিনই কেষ্টকে গ্রেফতার করে ইডি। এরপরই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করার আবেদন জানান ইডির আধিকারিকরা।
বেঁকে বসছে দিল্লি হাইকোর্ট, পিছল অনুব্রতের মামলা, পঞ্চায়েত ভোটের আগে বীরভূমে ফেরার আশা ক্ষীণ কেষ্টর

মঙ্গলবার দিল্লির রাউস অ্য়াভিনিউ কোর্টে ইডির আবেদন হওয়ার শুনানি ছিল। ঠিক তার আগেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে বারবার জামিনের আবেদন করেছেন। অনুব্রতর সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি আদালত।



