নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছিল টেট উত্তীর্ণ যে সমস্ত প্রার্থী ২০২০ এবং ২০২২ সালে ডিএলএড প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। পর্ষদের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দিল। ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন জটিলতা তৈরি হল।
আরও পড়ুনঃ Sanjay Basu: ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন মমতার আইনজীবী, কড়া নির্দেশ আদালতের
পর্ষদের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আগেই হাই কোর্টে মামলা করেন সৌমেন পাল-সহ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের বক্তব্য, ২০১৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী ডিএলএড প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন যাঁরা, তাঁরাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। ২০২০-২২ সালের প্রার্থীদের এখনও অবধি প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ হয়নি। তাঁরা কীভাবে চলতি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন? প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে গড়ায়। সেবার পর্ষদের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টের সুব্রত তালুকদার এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। মঙ্গলবার সেই মামলা খারিজ হয়ে যায়।
নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন জটিলতা, ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্তে নয়া জট

অন্যদিকে, দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় তিন দফায় ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুটি মামলায় ১৯৯ জনের চাকরি বাতিলে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের তরফে। যার ফলে স্বস্তিতে ১৯৯ জন।



