বিশ্বভারতীর উপাচার্য কে নিয়ে ক্ষোভ! পরিদর্শক ও আচার্যকে ইমেল প্রাক্তনীদের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: বোলপুরের বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে নিয়ে ক্ষোভ, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে হস্তক্ষেপ চাইলেন বিশ্বভারতীর প্রাক্তনীরা।বোলপুরের শান্তিনিকেতন মানেই লোকের মুখে মুখে বিশ্বভারতীর নাম শোনা যায়। কিন্তু বোলপুরের এই  বিশ্বভারতী এখন অন্যরকম। বিশ্বভারতী এখন কথায় কথায় শোকজ,সাসপেন্ড  এসব শিক্ষা ক্ষেত্রের সংস্কৃতি–বিরোধী। অবিলম্বে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও এই সব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার আর্জি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক ও আচার্যকে ইমেল করলেন বিশ্বভারতীর পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রাক্তনীরা।

আরও পড়ুনঃ করোনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজনৈতিক মিটিং-মিছিল! জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে

বিশ্বভারতীর পদার্থবিদ্যা বিভাগের ১৫২ জন প্রাক্তনী গত ১২ মার্চ বিশ্বভারতীর পরিদর্শক, দেশের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়ে একটি ইমেল পাঠান। সেখানে বর্তমান উপাচার্যের খামখেয়ালিপনা ও কথায় কথায় অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের শোকজ, সাসপেন্ড করা ও কাউকে কাউকে সামাজিকভাবে বয়কট করার ডাক দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই মানসিকতা যে সুষ্ঠু শিক্ষার প্রসারের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, তার উল্লেখ করা হয়। আর অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আর্জিও জানানো হয়েছে।

এমনকি ওই স্বাক্ষরিত চিঠিতে উপাচার্য  অধ্যাপক বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যাল‌‌‌য়ে মুক্ত ভাবনা প্রকাশে বাধা, নির্বিচারে শোকজ এবং অধ্যাপক–অধ্যাপিকাদের সাময়িক বরখাস্ত, এমনকি  তাঁদের কয়েক ঘন্টা ধরে আটকে রেখে মুচলেকা লিখিয়ে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁরা আরও  লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথের মতাদর্শ – ‘চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির…’ তাঁর নিজের বিশ্বভারতীতেই আর নেই। রাতারাতি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মানস মাইতিকে সাসপেন্ড ও অপসারণ এবং অধ্যাপক বিকাশ চন্দ্র গুপ্তকে সাসপেন্ড ও অধ্যাপক পীযুষ কুমার ঘোষ, অধ্যাপক অরণি চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন অধ্যাপকদের শোকজ করে তাঁদের মুক্তচিন্তা ও স্বাধীন ভাবে কথা বলার অধিকারকে খর্ব করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর