নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাগটুইকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি আনারুল হোসেনকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রে খবর, ওই দিন ঘটনার আগে এবং পরে এক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে আনারুলের কথা হয়েছিল। একইসঙ্গে ঐ দিন ধৃত আজাদ চৌধুরীর সঙ্গে আনারুলের কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আগামী ৩০শে মার্চ বন্ধ থাকবে সমস্ত সcরকারি দপ্তর, ঘোষণা রাজ্য সরকারের
ইতিমধ্যেই রামপুরহাটের বগটুই হত্যাকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেন-সহ ১২ জনকে রামপুরহাট থানায় আটক করা হয়েছে। সূত্রের খবর, শনিবার থানায় গিয়ে কেস ডায়েরি ও মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি সংগ্রহ করবে সিবিআই। তদন্তে যে সমস্ত তথ্য উঠে এসেছে, তা সিটের তরফে সিবিআইকে জানানো হবে। পাশাপাশি, ধৃতদের বয়ানও নিতে পারে সিবিআই। রামপুরহাট হত্যাকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এফআইআরে নাম থাকা আরও ৭০ জন পলাতক।

শুক্রবার আনারুলের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, ২২ মার্চের ঘটনার পরে দায়ের করা এফআইআরে আনারুলের নাম নেই। কিন্তু, কোনও এক মন্ত্রীর নির্দেশে তড়িঘড়ি এই কাজ করা হল। সেই সময়ে বিচারক তাঁকে থামিয়ে এজলাসে রাজনৈতিক মন্তব্য করতে বারণ করেন। আইনজীবী অবশ্য আরও বলেন, ‘ঘটনার দিন থেকে আমার মক্কেল ওই আদালতের আওতাধীন এলাকাতেই ছিলেন। তা হলে এত দিন অপেক্ষা করতে হল কেন? কেন প্রথমেই গ্রেফতার করা হল না?
বাগটুইকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়, ধৃতদের সঙ্গে যোগাযগ করেছিলেন আনারুল

হাইকোর্টের নির্দেশের পরই রামপুরহাটে সিবিআইয়ের ৩০ জনের দল। একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বগটুই থেকে ফিরে গেছে এসআইটি। আগামী ৭ তারিখের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।



