নজরবন্দি ব্যুরোঃ অমিত নিজেই সৌরভের বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই মতোই বার্তা পৌঁছয় বেহালার গাঙ্গুলি বাড়িতে। তার পর থেকেই নৈশভোজের জন্য তোড়জোড় শুরু হয়েছিল। রাত ৮:০৫ মিনিটে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছেছিলেন অমিত শাহ। প্রায় ৪৫ মিনিট তিনি সৌরভের বাড়িতে ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ মহারাজের বাড়িতে শাহি ভোজ, রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা


অমিত শাহর সঙ্গেই ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, অমিত মালব্যর মতো বিজেপি নেতারা৷ নীচে নেমে এসে পুষ্পস্তবক দিয়ে সৌরভ নিজে অমিত শাহকে স্বাগত জানান৷ সৌরভের বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় এবং মা নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।

সৌরভ জানিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে বহু দিনের পরিচয় শাহের। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে তাঁর ছেলে জয় শাহের সঙ্গে কাজ করেন সৌরভ। সেই সূত্রেই কলকাতায় আসার পর সৌরভের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন শাহ। অমিত শাহ নিরামিষাশী হওয়ায় বিভিন্ন নিরামিষ পদের আয়োজন ছিল৷ ভাত, রুটি এবং লুচির সঙ্গে ছিল আলুর দম, ডাল মাখনি, ধোকার ডালনা, পনির, ভেজিটেবল কাটলেটের মতো পদ৷
চেয়ে খেলেন চার বার, সৌরভের বাড়িতে ধোকার ডালনার স্বাদে মজলেন অমিত!



সূত্রের খবর, প্রায় সবকটি পদই চেখে দেখেছেন অমিত। তবে সবথেকে বেশি যেটা তাঁর ভাল লেগেছে সেটি হল ধোকার ডালনা। ৪ বার সেই পদ চেয়ে খেয়েছেন শাহ। তৃপ্তি করে খেতে খেতে রান্নার প্রশংসা করেন অমিত শাহ৷ খাওয়া দাওয়া শেষে রাত ৮ঃ৫০ নাগাত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান অমিত শাহ।

সৌরভ পত্নী ডোনা এদিন পাতে সাজিয়ে দিয়েছিলেন দই, মিষ্টি, যেহেতু অমিত শাহ ডায়াবেটিসের রোগী, সেই কারণে বেশি মিষ্টি খাননি। তিনি যে নিরামিষাশী, সেটি মহারাজ আগেই জানিয়েছিলেন। সেই মতো তাঁর জন্য বাঙালি খাবারের পাশে গুজরাতি ডিশও সাজিয়ে দেওয়া হয়। কী নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হল, সেই নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অনেকেই উদাসীন ছিলেন। কারণ তৃণমূল নেত্রী এই সাক্ষাত্কে অতটা গুরুত্ব দিতে চাননি। এই সাক্ষাত্ যে রাজনীতির বাইরে, সেটিও পরিষ্কার করেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক।







