নজরবন্দি ব্যুরো: সমাজের কাজে লাগবে এমন কথা বলুন! অমিতকে তীব্র খোঁচা অভিষেকের। বুধবার রাতেই এরাজ্যে এসে পৌঁছেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আর তারপরই একেরপর এক রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার হচ্ছেন তিনি। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের পর এবার তাঁকে রাজনৈতিক আক্রমণে বিঁধলেন, তৃণমূলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ বিজেপি-কে বড় ধাক্কা! গুরুং-এর হাত ধরে মোর্চায় যোগ পাহাড়ের ১৭ কাউন্সিলারের।
ট্যুইটে এদিন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় অমিত শাহ কে মনে করিয়ে দেন, উত্তরপ্রদেশে দলীত তরুণীর গণধর্ষণ থেকে শুরু করে, একবছর আগে বিজেপির নেতৃত্বাধীন ইউপিতে এসটিএসের বিরুদ্ধে অত্যাচারের কথা। নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে অমিত শাহকে ট্যাগ করে তিনি লেখেন, “একবছর আগে বিজেপির নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশে এসটিএসের বিরুদ্ধে অত্যাচার এবং হাথরাসে এক দলিত কিশোরীর উপর নৃশংস ধর্ষণ এখনও আমাদের মনে তাজা।”
সমাজের কাজে লাগবে এমন কথা বলুন! অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এদিন অমিত শাহকে ট্যুইটের মাধ্যমে প্রশ্ন করেছেন বিজেপি শাসিত যোগীরাজ্য হাথরাসের ঘটনা মনে করিয়ে। তিনি লিখেছেন “অমিত জি, আপনি কেন জাতির কল্যানকর এবং প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি নিয়ে বক্তব্য রাখেন না?”
রাতেই রাজারহাটের একটি বিলাসবহুল হোটেলে এসে ওঠেন তিনি। সকালে রবীন্দ্রভবনে সাংগঠনিক দলীয় বৈঠক সেরে,বৃহস্পতিবার সকালেই কপ্টারে করে উড়ে যান বাঁকুড়ার উদ্দেশ্য। সেখানেই বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্যদান করে গ্রামেরই বাসিন্দা বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে বৃহস্পতিবার দুপুরের খাবার খান, দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আর তারপর থেকেই একেরপর এক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের আক্রমণের মুখে পড়েন তিনি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের জোটসঙ্গী সিপিআইএম-এর বর্ষীয়ান নেতা সুজন চক্রবর্তীও আদিবাসীর বাড়িতে অমিত শাহের মধ্যাহ্নভোজকে ‘রাজনৈতিক স্টান্ট’ বলে কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, “দলিত-আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নতির জন্য স্টান্টবাজি করলে চলে না। নাটকের স্ক্রিপ্ট লেখা হয়েছে। তাই দলিতদের বাড়িতে বসে খাওয়াদাওয়া করছেন। কিন্তু এভাবে কী পাশে থাকা হয়? মানুষের কষ্ট, মানুষের কথা ওরা বোঝে না। মানুষের কথা বলে শুধু বাম, কংগ্রেস-ই।”



