অনুমতি থাকা সত্ত্বেও ধর্মতলায় মাদ্রাসা শিক্ষকদের মিছিলে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনুমতি থাকা সত্ত্বেও ধর্মতলায় মাদ্রাসা শিক্ষকদের মিছিলে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ ।নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে সরকারি মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসােসিয়েশনের ডাকে আন-এডেড মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মিছিল হওয়ার কথা ছিল ধর্মতলায়। সেই মিছিলে প্রকাশ্যে রাস্তার উপর নির্মম ভাবে অত্যাচার করে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার অভিযােগ উঠল কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুনঃBreaking: আমফানের ত্রান দূর্নীতি নিয়ে ক্যাগকে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের!

জানা গেছে, নিজেদের দাবিদাওয়া জানাতে প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই গান্ধী মূর্তির পাদদেশের দিকে যাচ্ছিলেন তারা।তাদের দাবি, তারা বেঙ্গল আর্মির অনুমতি নিয়ে নিয়মমাফিক লালবাজার এবং কলকাতা কর্পোরেশনকে নিজেদের কর্মসূচি জানিয়েছিল। তার পরেও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওপর পুলিশের লাঠি নেমে আসে। আচমকা! অভিযােগ উঠেছে, সংগঠনের রাজ্য সভাপতি জাভেদ মিয়াঁদাদকে নির্মমভাবে মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়।

সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক পলাশ রমকে পুলিশ মারধর করে তার পােশাক ছিড়ে দিয়েছে বলেও দাবি আন্দোলনকারীদের।এই ঘটনার পরে শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা লালবাজারে পৌঁছন। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, লালবাজার থেকেই এই আন্দোলন শুরু করবে। শুরু হবে আমরণ অনশন। কীসের দাবিতে আন্দোলন?জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রকল্পিত ২৩৫টি আন-এডেড মাদ্রাসার আড়াই হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা দীর্ঘ আট বছর বেতনহীন। পাশাপাশি, ৪০ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রীও সকল রকম সরকারি সুযােগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

অনুমতি থাকা সত্ত্বেও ধর্মতলায় মাদ্রাসা শিক্ষকদের মিছিলে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ ।এমনকি তারা নূন্যতম মিড-ডে-মিল থেকে বঞ্চিত। শিক্ষক সংগঠনের দাবি, সরকারের কাছে বারবার আবেদন- নিবেদন করেও কোনও সুরাহা না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ বেছে নেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে পুলিশের মার খেতে হল তাদে্র।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর