বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে সরব অল ইন্ডিয়া রিফিউজি ফ্রন্ট। বাংলাদেশের উপর ভারত সরকারের উচিৎ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা, মন্তব্য ফ্রন্টের। একই সঙ্গে, হিন্দু বৌদ্ধ ক্রিশ্চান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্তের গ্রেফতারির দাবিও তোলা হল এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে।
গত ৫ অগস্ট নাগরিক আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসাবে দায়িত্বে এসেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূস। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকেই সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের উপর কট্টরপন্থী ইসলাম সংগঠনের তরফে অত্যাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। অনেক মানুষই ইতিমধ্যে দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও ইউনূস সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়ে পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছেন।
অল ইন্ডিয়া রিফিউজি ফ্রন্ট সিএএ নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয় বলে কার্যত ক্ষোভ প্রকাশ করল। এ নিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া উচিত কেন্দ্রের বলে দাবি। ফ্রন্টের বক্তব্য, “শরণার্থী হিসেবে কেউ এলে, তিনি কতটা সাহায্য পেতে পারেন, তা নিয়ে স্পষ্ট নয় সরকারি নীতি।” উল্লেখ্য, বুধবারের এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মী রবীন্দ্র ঘোষ, ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায় প্রমুখ।
অন্যদিকে, ইউনূস কার্যত স্বীকার করে নিলেন, ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লিংটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’-এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইউনূস বললেন, “হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়া কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। এই প্রতিবাদের পেছনে কে ছিল সেটা কেউ বলতে পারবে না।” তবে এর পরেই ইউনুস এক ব্যক্তির নাম নেন। তিনি হলেন মেহেফুজ আব্দুল্লাহ!



