নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনাকালের বাম সম্মেলন, সব ঠিক থাকলে চলতি মাস থেকেই একের পর এক বৈঠক সূচনার কথা লাল শিবিরের। কথা একাধিক সম্মেলনের, আলোচনার আর সমাধানের পথ খোঁজার। কিন্তু সেসবের মাঝখানে দাঁড়িয়ে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা।
আরও পড়ুনঃ স্বাস্থ্য ভবনে ঢুকেছিলেন শুভেন্দু, চাকরি গেল আটকাতে না পারা নিরাপত্তারক্ষীর
দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রকোপ কমলেও আশঙ্কা আছেই, তার মাঝেই আতঙ্ক জাগিয়ে রেখেছে তৃতীয় ঢেউ। উপায় হিসেবে খোলা আছে ভার্চুয়াল সম্মেলন। তবে ভার্চুয়ালি বসার চেয়ে সশরীরে আমসে সামনে বসে বৈঠক-আলোচনাতেই জোর দিচ্ছেন কমরেডরা।
আর সেই কারণেই করোনাকালের বাম সম্মেলন নিয়ে এক গুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে আলিমুদ্দিন। তাদের যুক্তি ভার্চুয়ালি সব প্রান্ত থেকে সকলের যোগ দিয়ে নির্বিঘ্নে সম্মেলন করা সম্ভব নয়, তার চেয়ে বরং টিকা নিয়ে বৈঠক-সভায় হাজির থাকুন নেতারা। বলা হয়েছে সম্ভব মত তাড়াতাড়ি টিকার ডোজ নিন তাঁরা।
অন্যবারে থেকে এবারে বড়ো ছড়ানো জাগায় সম্মেলন করার কথাও ভাবা হচ্ছে। যাতে সামাজিক দূরত্ব মানা যায় যতটা সম্ভব। বয়স্কদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও মাথায় রাখছে আলিমুদ্দিন। প্রয়োজনে এবার কমানো হবে জেলা-রাজ্য কমিটির প্রতিনিধি সংখ্যা।
করোনাকালের বাম সম্মেলন, ভার্চুয়াল নয়, আমনে সামনে বসতে চাইছে আলিমুদ্দিন।

তবে নির্দেশিকায় সাফ জানানো হয়েছে টিকাকরণ না হলে প্রবেশ নিষিদ্ধ হবে নেতাদের জন্য। পাশাপাশি সামান্য উপসর্গ থাকলেও পাবেন বাধা। এমাসের শেষের দিকেই সিপিএম এর কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক। সব রাজ্যের সঙ্গঠন-সম্মেলনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বাংলাতেই সম্মেলন রয়েছে শাখা স্তর থেকে। সব দিক ভেবেই আগে থাকতেই নির্দেশিকা জারি করছ আলিমুদ্দিন।



