নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত কয়েকমাস ধরেই আনিস খান হত্যাকাণ্ড কে কেন্দ্র করে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এবার টিএমসিপির প্রাক্তন ছাত্রনেতার তাণ্ডব ও খুনের হুমকির সম্মুখীন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। গতকালের সেই ঘটনার ভিডিও বর্তমানে ভাইরাল নেটমাধ্যমে। টিএমসিপির প্রাক্তন এই ছাত্র নেতার তাণ্ডব ঘিরে সর্বস্তরে ই বয়ে গিয়েছে নিন্দার ঝড়। এবার সেই ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন ছাত্রনেতা গিয়াসুদ্দিন মণ্ডল।
আরও পড়ুনঃ Pakistan: ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন, পাকিস্তানের অ্যাসেম্বলি ভেঙে দিলেন রাষ্ট্রপতি


ঠিক কী হয়েছিল উপাচার্যের ঘরে? নেটমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওয় দেখা যায়, তুইতুকারি করে কথা বোলার পাশাপাশি অকথ্য ভাষায় উপাচার্য মহম্মদ আলিকে গালিগালাজ করে বহিষ্কৃত ছাত্রনেতা। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এবার ডাক, এখান থেকে ফোন কর, এই আলিয়ার বেহাল অবস্থা কে করেছে? আলিয়ার বেহাল অবস্থা করার জন্য তুই….’। পাশাপাশি দেওয়া হয় খুনের হুমকিও! এতটাই অশালীন মন্তব্য উঠে আসে সেই ছাত্রনেতার তরফ থেকে যা প্রকাশের অযোগ্য। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি।
তবে এই বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগে গত শুক্রবার বহিষ্কৃত হয় ছাত্রনেতা গিয়াসউদ্দিন মণ্ডল। এরপরেই গতকাল বেশকিছু বহিরাগত ছাত্রদের নিয়ে ক্যাম্পাসে আসে গিয়াস। তারপর একাধিক অভিযোগ নিয়ে উপাচার্যকে ঘেরাও করে তারা। সেখান থেকেই শুরু হয় তাণ্ডব।
উপাচার্য কে গালিগালাজের জের,আটক গিয়াসুদ্দিন মণ্ডল

সেই ভিডিওটিতে শোনা যায়, “আপনাকে আমি ফোন করলাম। সেই সময় যে আমার ছেলেপিলেগুলো সাসপেণ্ড হয়েছে স্যার। এই আমি বেশি কথা বলতে চাইনা তোমার সঙ্গে। আপনি আমাকে চেনেন না ঠিকমতো।” যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় নেটমাধ্যমে। সেইসময় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও নাকি সাহায্য পাননি আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এরপরেই সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখান থেকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখান থেকেই বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। কিন্তু সেই ঘটনার ভিডিও সামনে আসতেই আজ টেকনো থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সেই ছাত্র নেতা।









