নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবারেই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছে গোয়ার রাজ্য কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি অ্যালেক্সো আর লরেন্সো। এদিনেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে তাঁর। সূত্রের খবর, এদিনেই তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ Goa: কংগ্রেসের আরও এক উইকেটের পতন, তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন রাজ্য সভাপতি!
গোয়ায় ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পশ্চিম ভারতে আরব সাগরের পাড়ে বিস্তার শুরু করেছে তৃণমূল। বিজেপি, কংগ্রেস সহ একাধিক দল থেকে বিধায়কদের নিয়ে এসে সংগঠন জোরালো করতে চাইছে তাঁরা। তৃণমূল সূত্রে খবর, আর কিছু সময়ের মধ্যেই কলকাতা বিমানবন্দরে পা রাখতে চলেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক। অর্থাৎ তাঁর তৃণমূলে যোগদান এখন সময়ের অপেক্ষা।
গোয়ার নির্বাচনকে পাখির চোখ করেই মাঠে নেমেছে তৃণমূল। বালু মাটিতে ঘাস ফোঁটাতে মরিয়া ঘাসফুলের শীর্ষ নেতৃত্ব। নিয়ম করে তাই কঙ্কণী রাজ্যে উপস্থিত হচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। সম্ভাবনাময় তৃণমূলে ভিড় লেগেছে একের পর এক রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের।
আগামী বছর তৃণমূলের জোটসঙ্গী হচ্ছেন এমজিপি। ৪০ আসন বিশিষ্ট গোয়া বিধানসভায় এখন এই জোটের বিধায়কের সংখ্যা ২ জন। তৃণমূলের বিধায়ক হিসাবে রয়েছেন চার্চিল অ্যালেমাও। প্রতিপক্ষ কংগ্রেস এবং গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির জোট এবং বিজেপি। অন্য ফ্যাক্টর হিসাবে উপস্থিত হয়েছে আম আদমি পার্টি। যদিও বিজেপি পরাস্ত করাই একমাত্র লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অরবীন্দ কেজরিওয়াল।
বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা, তৃণমূলে যোগদান সময়ের অপেক্ষা

শোনা যাচ্ছে, গোয়ার ফলাফল বদলে দিতে পারে বিরোধী দলের সমীকরণ। গোয়ায় তৃণমূলের সরকার গঠন করতে পারলে আরও একধাপ বাড়তে পারে তৃণমূলের জনপ্রিয়তা। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হলে কিছুটা ব্যাকফুটে যেতে পারে তৃণমূল। সকলকে পরাজিত করে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে ২৪ এও গোয়ায় হতে পারে তৃণমূলের জয়জয়কার। সব মিলিয়ে, আরব সাগরের পাড়ে রাজনৈতিক হাওয়া কোন দিকে বইবে? তার দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।



