নজরবন্দি ব্যুরোঃ গোয়া কংগ্রেসের আরও এক উইকেটের পতন! বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কুরতোরিমের বিধায়ক অ্যালেক্সো আর লরেন্সো। সোমবার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ইস্তফা দিতে হাজির হন বিধানসভায়। কিন্তু স্পিকার উপস্থিত না থাকায় সচিবের কাছেই ইস্তফা পত্র জমা দেন।
আরও পড়ুনঃ Pakistan: গুজরাট উপকূলে উদ্ধার ৪০০ কোটি টাকার হেরোইন, আটক পাকিস্তানি নৌকা
শুধুমাত্র বিধায়ক নয়, এই মুহুর্তে গোয়ার রাজ্য কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি পদে রয়েছেন তিনি। তাঁর ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূল যোগের সম্ভবনা প্রবল হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, চলতি মাসের শেষের দিকে গোয়া সফরে উপস্থিত হবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের গোয়া সফরেই তৃণমূলে যোগদান দিতে চলেছেন তিনি।
আগামী বছরের নির্বাচনকে পাখির চোখ করেই মাঠে নেমেছে তৃণমূল। বালু মাটিতে ঘাস ফোঁটাতে মরিয়া ঘাসফুলের শীর্ষ নেতৃত্ব। নিয়ম করে তাই কঙ্কণী রাজ্যে উপস্থিত হচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। সম্ভাবনাময় তৃণমূলে ভিড় লেগেছে একের পর এক রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের।
আগামী বছর তৃণমূলের জোটসঙ্গী হচ্ছেন এমজিপি। ৪০ আসন বিশিষ্ট গোয়া বিধানসভায় এখন এই জোটের বিধায়কের সংখ্যা ২ জন। তৃণমূলের বিধায়ক হিসাবে রয়েছেন চার্চিল অ্যালেমাও। প্রতিপক্ষ কংগ্রেস এবং গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির জোট এবং বিজেপি। অন্য ফ্যাক্টর হিসাবে উপস্থিত হয়েছে আম আদমি পার্টি। যদিও বিজেপি পরাস্ত করাই একমাত্র লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অরবীন্দ কেজরিওয়াল।
কংগ্রেসের আরও এক উইকেটের পতন, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা অ্যালেক্সো আর লরেন্সো

শোনা যাচ্ছে, গোয়ার ফলাফল বদলে দিতে পারে বিরোধী দলের সমীকরণ। গোয়ায় তৃণমূলের সরকার গঠন করতে পারলে আরও একধাপ বাড়তে পারে তৃণমূলের জনপ্রিয়তা। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হলে কিছুটা ব্যাকফুটে যেতে পারে তৃণমূল। সকলকে পরাজিত করে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে ২৪ এও গোয়ায় হতে পারে তৃণমূলের জয়জয়কার। সব মিলিয়ে, আরব সাগরের পাড়ে রাজনৈতিক হাওয়া কোন দিকে বইবে? তার দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।



