নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগ্রার তাজমহলে ২০ টি বন্ধ ঘরে কী রয়েছে? কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে? তা জানতেই এলাহাবাদ হাইকোর্টে পিটিশন জমা পড়ে। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার তরফে তল্লাশি করে দেখার জন্য আদালতে পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে। পিটিশন জমা দেন ভারতীয় জনতা দলের অয্যোধ্যা মিডিয়া সেলের ইনচার্জ ডঃ রজনীশ সিং। সেই মামলা খারিজ করে দিল এলাহাদাবাদ হাইকোর্ট। তাই খোলা হচ্ছে না ২২ দরজা।
আরও পড়ুনঃ এবার থেকে রাজ্যে সমান ভাতা পাবেন IAS-WBCS অফিসাররা: Mamata Banerjee
বৃহস্পতিবার এলাহাদাবাদ হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়, এই ধরনের জনস্বার্থ মামলার শুনানি হতে পারে না। তাজমহল কে তৈরি করেছিল গবেষণা করুন। জনস্বার্থ মামলা করে হাসির খোরাক করে এবেন না। জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে মন্তব্য এলাহাবাদ হাইকোর্টের।
মামলাকারীর দাবী, তাজমহলের ওই ২০ টি ঘরে কি রয়েছে? তা নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। আমাদের স্থির বিশ্বাস তাজমহলের ২০ টি ঘরে তালাবন্ধ রয়েছে হিন্দু দেবদেবী এবং হিন্দু ভাস্কর্য। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার তরফে আধিকারিক নিয়ে ঘুরে দেখা হোক। যদি কিছু নাই-ই থেকে থাকে তাহলে বিতর্ক থামাতে ঘর গুলি খুলতে কোনও বাধা নেই।

এমিতেই বহু বছর ধরে তাজমহলকে ‘তেজো মহালয়’ নামে একটি মন্দির বলে দাবী করে আসছে কট্টর হিন্দুবাদী সংগঠনগুলি। বারাণসীর বিশ্বনাথ মন্দির লাগোয়া জ্ঞানবাপী মসজিদ ও মথুরায় শাহী মসজিদ চলার প্রেক্ষিতেই এই দাবী করে আসছে হিন্দু সংগঠনগুলি।
যদিও তাজমহলকে ঘিরে বিবাদ পুরাতন নয়। তাজমহল আসলে একটি শিবমন্দির ছিল বলেও দাবী করা হয়। ২০১৭ সালে বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দ্বারস্থ হন এবং বিশয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আবেদন জানান তিনি। শাজাহান নয় এক রাজার তৈরি তাজমহল কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবী করা হয়।
খোলা হচ্ছে না ২২ দরজা, থাকছে রহস্যই

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধীরা। অভিযোগ, মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব সহ একাধিক ইস্যুকে আড়াল করার জন্যই বিভাজনের রাজনীতি করছে বিজেপি। সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই কাজ করা হচ্ছে।



