নজরবন্দি ব্যুরোঃ তবে কি চাপে পরেই কৃষি বিল নিয়ে টুইট তাবড় সেলেবদের? কিছুদিন আগেই কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে টুইট করেন পপ তারকা রিহানা, পরিবেশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গের আন্তর্জাতিক সেলেবরা। যার প্রতিবাদে শচিন তেন্ডুলকর লতা মঙ্গেশকারের মত ভারতরত্ন প্রাপক তাবড় ব্যাক্তিত্ব পাল্টা জবাব দিয়ে টুইট করেন এবং দেশের একাত্ত্ববোধের কথা তুলে ধরেন। #IndiaAgainstPropaganda এবং #IndiaTogether হ্যাসট্যাগ দিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তোলেন অক্ষয় কুমার ও তাঁর মত অনেক এ গ্রেড সেলেব্রিটি। প্রায় সবার মুখে একই সুর দেখে কংগ্রেস প্রশ্ন তোলে তবে কি কেন্দ্রের চাপে পরেই একই সুরে টুইট।
আরও পড়ুনঃ এবার আইসিসির মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হল পান্থ।
মহারাষ্ট্র সরকারকে তদন্তের পরামর্শ ও দেন। সেই পরামর্শ যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে গ্রহন করেছে উদ্ধব ঠাকরে সরকার। সত্যি করেই তদন্ত করতে চলেছে তারা। কংগ্রেসের সাধারণ সচিব ও মুখপাত্র সচিন সাওয়ান্ত রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখের সঙ্গে দেখা করে ট্যুইট খতিয়ে দেখে তদন্তের দাবি জানান। হিন্দুস্তান টাইমস-কে সচিন সাওয়ান্ত বলেন, “একই প্যাটার্নের ট্যুইট করেছেন অক্ষয় কুমার ও সুনীল শেট্টির মতো সেলিব্রিটিরা।
ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের মধ্যে সচিন তেন্ডুলকর ও সাইনা নেহওয়ালও রয়েছেন। সাইনা ও অক্ষয় একই ট্যুইট করেছেন। সুনীল একজন বিজেপি নেতাকেও ট্যাগ করেছেন। এটা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, সেলেবদের সঙ্গে শাসকদের এই নিয়ে কথোপকথন হয়েছে। এটা তদন্ত করে দেখতে হবে যে, বিজেপি থেকে তাঁদের ওপর কোনও চাপ আছে কি না! তাঁরা কিন্তু দেশের নায়ক। তেমন হলে সেলেবদের আরও সুরক্ষা দিতে হবে।”
অনিল দেশমুখ বলছেন, “আমাদের রাজ্য ইন্টেলিজেন্স দফতর বিষয়টা তদন্ত করবে, দেখতে হবে ট্যুইটগুলি সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে কি না!প্রতিটি ট্যুইটের সময় এবং সমন্বয় দেখে মনে হচ্ছে যে, এটি পরিকল্পিত ভাবেই করা হয়েছিল” দেশমুখও সুনীল শেট্টির ট্যুইটে বিজেপি নেতাকে ট্যাগ করার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। ট্যুইট ও পাল্টা ট্যুইট নিয়েই সরগরম দেশ। এনসিপি প্রধান ও প্রাক্তন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শরদ পাওয়ারও সচিনকে খোঁচা দিয়েছেন কৃষি বিলের সমর্থনে ট্যুইটের জন্য।
তবে কি চাপে পরেই কৃষি বিল নিয়ে টুইট তাবড় সেলেবদের? তিনি বলেন, ” তিনি সচিনকে সতর্ক করে জানিয়েছেন, “আমি সচিনকে পরামর্শ দেব ও যখন অন্য ক্ষেত্র নিয়ে কথা বলবে, তখন যেন একটু সাবধানতা অবলম্বন করে।” এমএনএস প্রধান রাজ ঠাকরে বলেন, “সরকারের ফের এই ভুল করা উচিত নয়। লতা মঙ্গেশকর ও সচিন তেন্ডুলকর বড় নাম। কিন্তু তাঁরা সাধারণ মানুষ। সরকার তাদের টুইট করতে বলায়, তারাই জনগণের রোষের মুখে পড়ছেন।”



