নজরবন্দি ব্যুরোঃ ষাটের দশকে পাকিস্তানের রুপালি পর্দায় রানি বেগম এক সময় দাপিয়ে রাজত্ব করেছিল। তার দুর্দান্ত অভিনয়ের জেরে তাঁকে এখনও পর্যন্ত সবাই মনে রেখেছেন। মাত্র ১৬ বছর বয়েসে সে অভিনয় জগতে পদার্পণ করেন। তবে তার জীবন প্রথম থেকেই এতো সহজ ছিল না। নানান ওঠা পরার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ পিঁপড়েও দুধ দেয়! জানেন কি সেই দুধ কতটা পুষ্টিকর?


রানি বেগম এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহন করেছিলেন। তার বাবা পেশায় একজন গাড়িচালক ছিলেন। পাকিস্তানের বিখ্যাত গায়িকা মুখতার বেগমের গাড়িচালক ছিলেন তিনি। তিনিই রানিকে দত্তক নিয়েছিলেন। রানি নাকি ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি বিশাল ঝোঁক।
দত্তক কন্যার এই সখের কথা শুনে ছোট থেকেই তাঁকে নাচ গান এবং অভিনয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করে। মুখতার বেগম তার সেই দত্তক কন্যা কে ছোট থেকেই অনেক আদরে মানুষ করেছেন। এবং তার পরিচিতিকে কাজে লাগিয়েই ১৯৬২ সালে প্রবীণ পরিচালক আনোয়ার কামাল পাশা পরিচালিত ‘মেহবুব’ ছবিতে কাজের সুযোগ পান তিনি।
পর পর টানা ২৫টি ফ্লপ মুভি, এর পর ভাগ্য ফিরে গেল

তবে সেই ছবিটা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পরে। এর পরে আরও একটি ছবি করার সুযোগ পান তিনি। সেটিও ফ্লপ হয়। রানি ছিল খুব সুন্দরী। প্রধানত সেই কারণেই তাঁকে সব পরিচালকরা অভিনয়ে নিত। তথ্য অনুযায়ী প্রায় ২৫ টি ছবি পর পর ফ্লপ করেছিল। তবে ১৯৬৬ সালে ‘দেবর-ভাবি’ ছবির মাধ্যমে তার কপাল ফেরে। এই সিনেমাটি বক্স অফিসে দারুন সাফল্য করে। এরপর ‘উমরাও জান আদা’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে পাকাপাকি ভাবে সবার মনে জায়গা করে নেন অভিনেত্রী।









