নজরবন্দি ব্যুরো: ভারতে আয়োজিত এসসিও বৈঠক শেষ হতেই দেশে ফিরে গিয়েছেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। দুদিনের পাক সফরে গিয়েছেন চীনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং। এদিনই দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী বৈঠক করেন। এসসিও বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সরব হয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পাকিস্তানকে কাশ্মীর খালি করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এবিষয়ে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ায় চীন। এরইমধ্যে চীন-পাকিস্তানের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের অংশ হল আফগানিস্তান। এরফলে ভারতের উপর কি চাপ বাড়বে?
আরও পড়ুন: SCO বৈঠক সেরেই পাক সফরে চীনের বিদেশমন্ত্রী, ভারতের তোপের জবাবে পাকিস্তানকে সমর্থন


জানা গিয়েছে, তালিবানশাসিত আফগানিস্তানে বিপুল বিনিয়োগ করবে চীন। ইসলামাবাদে বসেই চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন কিন গ্যাং। তালিবান প্রশাসনের তরফে তাঁদের এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন মৌলবি আমির খান মুত্তাকি। মূলত দেশ-মহাদেশে বাণিজ্য পথ বিস্তৃত করাই চীনের মূল লক্ষ্য।

বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প কি?


বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পটি হল পুরনো সিল্ক সিল্ক রুটের আদলে তৈরি হওয়া এশিয়া থেকে ইউরোপ-আফ্রিকা পর্যন্ত বাণিজ্য পথ। এটিকে পুনরায় উজ্জীবিত করতে চাইছে চীন। পাকিস্তান ও চীন একসঙ্গে এই প্রকল্পে যুক্ত হওয়ায় ভারতের উপর চাপ বাড়ছে বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল। অন্যদিকে আফগানিস্তান এই প্রকল্পের অংশ হচ্ছে যার ফলে পরিস্থিতি কোনদিকে ঘুরবে পরিস্থিতি সেদিকেও নজর থাকবে!

উল্লেখ্য, বাণিজ্য পথ পুনরজ্জীবিত করা নিয়ে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। এই রুটের একটি অংশ পাক অধিকৃত কাশ্মীর। যা ভারত এবং চীনের সম্পর্কের অবনতির অন্যতম একটি কারণ।
কিন গ্যাং দু দিনের পাক সফরে এসে ইতিমধ্যেই বিলাওয়ালের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে চীন এবং পাকিস্তান একটি যৌথ বিবৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধক উত্থাপন করেছে। উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কাশ্মীর প্রসঙ্গ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে সঠিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা উচিত।” চীনের বিদেশমন্ত্রী আরও বলেছেন, “ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর বিরোধ ইতিহাস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং কোনো একতরফা পদক্ষেপ এড়িয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী সমাধান করা উচিত। যদিও ভারতের তরফে এখনও এবিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
Pakistan-China-র প্রকল্পের অংশ আফগানিস্তান, তালিবানশাসিত আফগানিস্তানে বিপুল বিনিয়োগ করবে চীন








