নজরবন্দি ব্যুরো: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে ফের একবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সমর্থনে সুর চড়ালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন তিনি। চিঠিতে তিনি সংসদীয় কমিটিগুলির নিয়ম এবং পদ্ধতিগুলির পর্যালোচনা করার দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ সংক্রান্ত রিপোর্ট সোমবার লোকসভায় জমা করতে পারে এথিক্স কমিটি।
আরও পড়ুন: আরও সুরক্ষিত হচ্ছে পাক, বাংলাদেশ সীমান্ত


অধীরের মুল বক্তব্য, মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি আনান হচ্ছে সেটি একটি সাংবিধানিক বিষয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্তও চলছে। তাহলে এমতাবস্থায় কমিটির চেয়ারম্যান এবং সদস্যেরা কেন বিষয়টি নিয়ের প্রকাশ্যে আলোচনা করছেন? এরকম স্পর্শকাতর একটি বিষয় গোপন থাকাই উচিৎ বলে মনে করেন অধীর।

‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোরদার চর্চা চলছে। এথিক্স কমিটি সওয়াল তুলেছে মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিল করার দাবিতে। মূল অভিযোগটি এনেছেন বিজেপি নেতা নিশিকান্ত দুবে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকারের রিপোর্ট সোমবার পেশ করা হবে সংসদে। তারপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন বিতর্কে সরব অধীর, মহুয়ার সমর্থনে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি কংগ্রেস নেতার
মূল বিতর্কটি ঠিক কি? অভিযোগ, কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র লোকসভায় প্রশ্ন করার জন্য ‘ঘুষ’ নিয়েছেন। আর সেখানে নাম উঠে এসেছে দুবাইয়ের ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির নাম। মহুয়া মৈত্র ইতিমধ্যেই স্বীকার করে নিয়েছেন, হীরানন্দানিকে তিনি সংসদের ওয়েবসাইটের ‘লগ-ইন আইডি’ দিয়েছিলেন। তবে তিনি এও বলেছেন, সংসদের নিয়ম অনুযায়ী কোথাও লেখা নেই যে ‘লগ-ইন আইডি’ অন্য কাউকে দেওয়া যাবে না। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এর আগে ‘লগ-ইন আইডি’ নিকট আত্মীয়দেরকে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন।

তবে ‘ঘুষ’ নিয়ে প্রশ্নের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মহুয়া মৈত্র। তাঁর দাবি, হীরানন্দানি গ্রুপের থেকে তিনি কোনও রকম আর্থিক সুবিধা নেন নি। তবে, কয়েকটি উপহার তিনি অবশ্যই পেয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে লিপস্টিক, একটি স্কার্ফ, আইশ্যাড এবং বেশ কিছু মেকআপ সামগ্রী।







