নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবার হাঁসখালির ঘটনার পর এবার সরব হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সরাসরি অভিযোগ, বাংলা হাথরস হয়ে গিয়েছে। চাইল্ড লাইন না থাকলে তো এই ঘটনার কথা জানাই যেত না। এরকম কত ধর্ষণ, কত হত্যা রাজ্যে হচ্ছে জানি না। এরকম কত শ্মশান আছে, যেখানে না জানিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, জানি না।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: হাঁসখালির ঘটনা কি লাভ অ্যাফেয়ার? খতিয়ে দেখার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর


মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বার্তা, ওই নাবালিকা কি এ রাজ্যের মা-মাটি-মানুষের তালিকায় পড়ে না? মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষণকারীদের ওকালতি করছেন কেন? বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আজ ধর্ষণকারীদের উকিল হয়েছেন কেন? খুনিদের ওকালতি করছেন কেন? এগুলোই আপনার কাছে আমাদের প্রশ্ন।
![]()
উল্লেখ্য, হাঁসখালিতে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত জানায়, আমার বার্থডে পার্টি ছিল। কিন্তু আমি কিছু করিনি। আমার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তাই আমাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।


আপনি রেপ বলবেন না কি প্রেগনেন্ট বলবেন নাকি লভ অ্যাফেয়ার বলবেন…আমি পুলিশকে বলেছি, ঘটনাটি কী? ঘটনাটা খারাপ। গ্রেফতার হয়েছে। মেয়েটার নাকি লাভ অ্যাফেয়ার ছিল শুনেছি। হাঁসখালির ঘটনা প্রসঙ্গে সোমবার মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কী হাঁসখালির ঘটনা কি লাভ অ্যাফেয়ার? উঠছে প্রশ্ন।
মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষণকারীদের ওকালতি করছেন, তোপ অধীরের
![]()
তিনি আরও বলেন, মেয়েটি মারা গিয়েছে ৫ তারিখ। অভিযোগ দায়ের হয়েছে ১০ তারিখে। কেন আগে অভিযোগ দায়ের করলেন না। কেন বডিটা পুড়িয়ে দিলেন। আমি সবটা না জেনেই বলছি—আসলে রেপ হয়েছে, না প্রেগন্ট্যান্ট ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণ ছিল, নাকি কেউ ধরে ধরে চড় মেরেছে, বা শরীরটা খারাপ হয়েছে? লাভ অ্যাফেয়ার্স তো ছিলই, বাড়ির লোকেরা তা জানত, পাড়ার লোকেরাও তো জানত। কাউকে না জানিয়ে মেয়েটির দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন কীভাবে তদন্ত করবে পুলিশ?







