নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন রণক্ষেত্র চেহারা নিয়েছিল বাংলা। হিংসার জেরে ঝরেছে বহু প্রাণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। খুনের অভিযোগ সামনে এসেছে। পঞ্চায়েত নিয়ে হিংসার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। ভোট হিংসায় নিহত কংগ্রেস কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন কংগ্রেস সাংসদ।
আরও পড়ুন: কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় অভিষেককে জেরা করতে পারবে ইডি,সিবিআই, জানিয়ে দিল শীর্ষ আদালত
শনিবার নির্বাচনের দিন নিহত কংগ্রেস কর্মী হাজি লিয়াকত আলির পরিবারের সঙ্গে দেখা করে শোকপ্রকাশ করেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই মৃত্যুর জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করেন তিনি। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী এত খুন করে আপনি মহান হবেন? কয়েকটা সিটে হারলেও সরকার আপনারই থাকত। তা হলে এত খুন কেন?’’ নিহত হাজি লিয়াকত আলি নওদা থানার মধুপুর পঞ্চায়েতের গঙ্গাধরী গ্রামের বাসিন্দা। শনিবার ভোট চলাকালীন একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। আচমকাই সেখানে বোমাবাজি শুরু হয়। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হন তিনি। এরপর তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

গত মাসে উত্তরবঙ্গে সফরে হেলিকপ্টার দুর্যোগে জেরে পায়ে চোট পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়ে বিরোধীরা নানা মন্তব্য করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর চোট নিয়ে কটাক্ষ হয়েছে অনেক। অধীর চৌধুরীও মমতাকে আক্রমণ করে বলেন, “১১ জুলাইয়ের পর মুখ্যমন্ত্রীর পা ঠিক হয়ে যাবে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীরব থাকতেই উনি নাটক করেছেন।’’ এখানে উল্লেখ্য, আগামী ১১ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল ঘোষণা।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পর্বেই রাজ্যজুড়ে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। ভোটের আগেই একাধিকজনের প্রাণ গিয়েছে। শনিবার নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত রাজ্য। পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যজুড়ে অশান্তির ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে ৩৭ জনের। কিন্তু কমিশনের কাছে মৃত্যুর মোট হিসেব মাত্র ১০। এনিয়েও নানা প্রশ্ন তুলছে বিরোধী মহল।
১১ জুলাইয়ের পর পা ঠিক হয়ে যাবে, Mamata Banerjee-কে খোঁচা অধীরের




