নজরবন্দি ব্যুরো: CBI সেজে ১৫ লক্ষ টাকা জালিয়াতির অভিযোগে ‘রিপাবলিক বাংলা’র সাংবাদিক অভিষেক সেনগুপ্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সিবিআইয়ের ভুয়ো পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ীর থেকে তোলা আদায়ের অভিযোগ উঠতেই। গা ঢাকা দিয়েছিল ‘রিপাবলিক বাংলা’র এই রিপোর্টার। অবশেষে শিলিগুড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ টি পরিবার কে ত্রিপল তুলে দিয়ে, খাওয়ার ব্যাবস্থা করলেন শুভেন্দু।
এই ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। অজিত রায় নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেন অভিযুক্ত সাংবাদিক অভিষেক সেনগুপ্তের দুই সাগরেদ স্বরূপ রায় ও প্রতীক সরকার। সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নাম করে জোর পূর্বক নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ সিবিআই দপ্তরের নিচে বসিয়ে রাখা হয় ওই ব্যবসায়ীকে। এরপর অভিষেক সেনগুপ্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক সেজে অজিত রায়ের সঙ্গে দেখা করেন। ঝামেলা মীমাংসা করার জন্য ১ কোটি টাকা দাবি করেন বলেও অভিযোগ।
অবশেষে ১৫ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হন ওই ব্যবসায়ী। টাকা দেওয়ার পর সন্দেহ হয় অজিতবাবুর। তিনি এরপরই গোটা বিষয়টি কসবা থানায় জানান। পরবর্তীকালে পুলিশ অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি থেকে তাকে এবং তার ঘনিষ্ঠ স্বরূপ ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের নিয়ে আসা হচ্ছে। এই ঘটনায় এ নিয়ে মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ সকালে দিকে একই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে কসবা থানার পুলিশ। ধৃত দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুরের বাসিন্দা অর্ঘ্য সেনগুপ্ত, নেতাজি নগরের অনির্বাণ কাঞ্জিলাল এবং রাজু মণ্ডল, উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের জুলফিকার আলি এবং আসরফ আলি।
CBI সেজে ১৫ লক্ষ টাকা তোলাবাজির পর। গ্রেপ্তারি এড়াতে অভিষেক তার সঙ্গী স্বরূপকে নিয়ে পালিয়েছিল। তবে শেষরক্ষা হয়নি। ঘটনায় রিপাবলিক বাংলার নাম যাতে না জড়ায় তাই তড়িঘড়ি ওই সাংবাদিক কে সাসপেন্ড করে সংস্থার পক্ষ থেকে ট্যুইট করা হয় গত ২৫শে মে। বলা হয় ওই সাংবাদিক নাকি রিপাবলিকের অস্থায়ী কর্মী! যদিও ওয়াকিবহাল মহল রিপাবলিক বাংলার এই যুক্তি মানতে নারাজ।



