নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ টি পরিবার কে ত্রিপল তুলে দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রান্না করা খাবারের ব্যবস্থাও করলেন তাম্রলিপ্ত পৌরসভার রূপনারায়ন নদী পাড় সংলগ্ন অঞ্চলের সব হারানো মানুষদের। কদিন আগেই শুভেন্দু ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন, এখন তিনি মন্ত্রী নন। তবুও স্বল্প সাধ্যে যতটা পারেন করবেন।
আরও পড়ুনঃ ইয়াসের দাপটে বিপর্যস্ত রায়দিঘিকে বাঁচাতে ‘ক্লান্তিহীন’ কান্তির স্মরনে বর্তমান বিধায়ক!
সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে তছনছ হয়ে গেছে দুই মেদিনীপুর, হাওড়ার একাংশ এবং দুই ২৪ পরগনা। কিভাবে এই বিপর্যয় মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ নন্দীগ্রামে তাঁর নিজের কার্যালয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ৬ বিজেপি বিধায়ককে পাশে নিয়ে এই দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিন বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বদলীয় বৈঠকের দাবি জানাচ্ছি রাজ্য সরকারের কাছে। ত্রাণ এবং মানুষের পাশে যদি সত্যিই উনি (মুখ্যমন্ত্রী) দাঁড়াতে চান তাহলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করুন।”
তাঁর অভিযোগ বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রধান বিরোধী দলের বিধায়কদের উপেক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও রাজ্যে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের উপেক্ষা করা হচ্ছে। বিধায়করা ফোন করলে ব্লক আধিকারিকরা কেউ জবাব দিচ্ছেন না। এটা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।”
কেন্দ্রীয় ত্রান বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘‘বিপর্যয় মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গের জন্যে ১,০৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তার মধ্যে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ৮০০ কোটি। সেই টাকার প্রথম কিস্তির ৪০৪ কোটি কেন্দ্রের তরফে ইতিমধ্যেই রাজ্যকে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বুধবার বলেছিলেন কেন্দ্রের ৪০০ কোটি খরচ করেছেন। সেগুলো কোথায় খরচ করলেন দেখতে পাইনি। আমরা দাবি করছি, কোথায় কোথায় ৪০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন, কারা কারা পেয়েছেন, এটা আপনারা জানান।”




