শুরু হয়ে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচন। বাংলায় ইতিমধ্যেই দু’দফায় ৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৭ তারিখ মুর্শিদাবাদে ভোট। এই কেন্দ্রে এবার তৃণমূলের প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ আবু তাহের খান। অন্যদিকে, সিপিআইএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম। বিজেপির তরফে গৌরী শঙ্কর ঘোষকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ভোটের মাত্র পাঁচ দিন আগে নজরবন্দি-র প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বললেন আবু তাহের খান। কী জানালেন তিনি?
আরও পড়ুন: দেরীতে হলেও সত্য কথা বলছেন, ভালো লাগছে, কুণালের পাশে অধীর


একুশের বিধানসভা থেকেই হাতে হাত ধরে চলছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। আর এবার মুর্শিদাবাদে তাঁদের বাজি মহম্মদ সেলিম। আবু তাহের খান ২০১৯ সালের লোকসভায় প্রায় ২ লক্ষ ২৬ হাজার ভোটে জেতেন। এবার উল্টোদিকে, মহম্মদ সেলিম। রাজ্যের জনপ্রিয় নেতা সেলিমকে নিয়ে আবু তাহের কি কিছুটা চিন্তিত?
এই প্রশ্নের জবাবে তাহের বলেন, “সেলিম এখানে কোনও ফ্যাক্টরই নন। উনি কি সব রাজ্য সম্পাদক না কি ছিলেন! উনি কোথা থেকে এসেছেন কেন এসেছেন, সেসব নিয়ে এলাকার মানুষ বিশেষ ভাবছে না। সেলিম ফ্যাক্টর হলে তাঁকে কেন্দ্র বদলাতে হত না। সেলিমের গ্রহণযোগ্যতা নেই মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে।”

গত বারের চেয়ে কি এবার মার্জিন আরও বাড়বে? উত্তরে বিদায়ী সাংসদ বলেন, “আমি আশা করছি, মার্জিন তো বাড়বেই। সময়ের অপেক্ষা। আমি হারতে শিখিনি। এবারও তাঁর অন্যথা হবে না।” অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদে বারবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর প্রকাশ্যে আসে।



সে বিষয়ে তৃণমূল নেতা বলেন, “মুর্শিদাবাদে তৃণমূল অনেক বড় দলে পরিণত। পঞ্চায়েতে টিকিট না পাওয়ায় কিছু ক্ষোভ বিক্ষোভ হয়েছিল। তা আর নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদে পা রাখতেই সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছে। কেউ ঘরে বসে নেই।”
হারতে শিখিনি, মুর্শিদাবাদে সেলিম কোনও ফ্যাক্টরই নন, নজরবন্দিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বললেন আবু তাহের #EXCLUSIVE

অনেক সময় মুর্শিদাবাদবাসীর একাংশ অভিযোগ করে থাকেন তাঁদের সাংসদকে সব সময় এলাকায় দেখা যায় না। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আবু তাহের বলেন, “আমি দলের একজন সর্বক্ষণের কর্মী। মাঝে এক বছর অসুস্থ ছিলাম। সেই সময় হয়তো দেখা যায়নি। কিন্তু, আমার জন্য সকলেই প্রার্থনা করেছেন। কেউ মন্দিরে, কেউ মসজিদে। তাই এই অভিযোগ সম্পূর্ণ সঠিক নয়।”







