রবিবার গভীর রাতে কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত গার্ডেনরিচের একটি নির্মীয়মাণ বহুতল ভেঙে পড়ে। জানা যায়, বহুতলটি বেআইনি। সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রেফতার করা হয় প্রোমোটারকে। অবৈধ বহুতল নির্মাণে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম সহ তৃণমূল সরকারকেই নিশানায় আনছেন বিরোধীরা। এবার গার্ডেনরিচ ঘটনায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?
আরও পড়ুন: ভোট ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পদক্ষেপ কমিশনের, রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে সরান হল রাজীব কুমারকে


অভিষেকের কোথায়, “দিল্লি থেকে বসে বড় বড় ভাষণ না দিয়ে উদ্ধারকার্যে প্রশাসনের পাশে দাঁড়ানো উচিত। যে ঘটনা ওখানে ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক। এ নিয়ে আমি মনে করি রাজনীতি করা উচিত নয়। বিরোধী দল যারা অভিযোগ তোলা শুরু করেছে আমি তাঁদের অনুরোধ করবো রাজনীতিটা ৪৮ ঘন্টা পরে করুন।”

গার্ডেনরিচকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে ১৬ ঘণ্টা। দুর্ঘটনার পর থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্য শুরু হয়। আহত বহু। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭। এখনও ধ্বংসস্তূপে চাপা রয়েছেন কয়েকজন। সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি নিজেও স্বীকার করেন, এই বহুতল বেআইনি ছিল। তাঁর হস্তক্ষেপের পরই অভিযুক্ত প্রোমোটার মহম্মদ ওয়াসিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অবৈধ নির্মাণের জন্য কেএমসি অ্যাক্টে মামলা দায়ের হয়েছে।



এছাড়াও, ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুন, ৩০৭ ধারায় খুনের চেষ্টার ধারা রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, বহুতলটির দোতলা পর্যন্ত অনুমোদন ছিল। কিন্তু প্রোমোটার আরও চার তোলা নির্মাণ করেছিলেন। সেখানেই সমস্যা হয়। ভবনটি ভার নিতে পারেননি। সেই কারণেই ভেঙে পড়ে বাড়িটি। এছাড়াও বহুতল তৈরির সামগ্রীর মান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
গার্ডেনরিচে অবৈধ বহুতল নির্মাণে তৃণমূলের মদত, বিরোধীদের পাল্টা কী জবাব দিলেন অভিষেক?
গার্ডেনরিচ দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবার ও আহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আহতদের ১ লক্ষ টাকা ও মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়া হবে বলে জানান।








