সংসদে বিতর্ক, প্রশ্ন আর জবাবদিহির মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে বিজেপি—এমনই তীব্র অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দিশাহীন ও ফাঁপা কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে scrutiny এড়াতেই সরকার সচেতনভাবে সংসদ অচল করছে। আর বিরোধীদের দাবি উপেক্ষা চলতে থাকলে, লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতেও পিছপা হবে না বিরোধী শিবির।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে বলেন, বিরোধীরা সংসদের কার্যক্রমে বিশ্বাসী—কারণ গণতন্ত্র মানেই বিতর্ক, প্রশ্ন ও জবাবদিহি। সেই কারণেই INDIA bloc-এর সব দলকে নিয়ে প্রথমে একটি যৌথ অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি, যেখানে চারটি স্পষ্ট ও অ-আলোচনাযোগ্য দাবি থাকবে। সরকার যদি তাতেও অনড় থাকে এবং প্রশ্নের জবাব না দেয়, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অনাস্থা প্রস্তাব আনার রাস্তা খোলা থাকবে।
বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, বিজেপি সংসদ সচল চায় না, কারণ সংসদ চললে প্রশ্ন উঠবে—কেন এই বাজেট ব্যর্থ, কেন অর্থনীতিতে দিশাহীনতা, কেন সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত। অভিষেকের কথায়, “কার্যকর সংসদ মানেই সত্যের মুখোমুখি হওয়া—আর সেটাই বিজেপিকে ভয় পাইয়ে দেয়।”
তিনি আরও বলেন, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব কোনও হুমকি নয়, বরং সাংবিধানিক অধিকার। তবে তার আগে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জরুরি। চার দফা দাবিতে সরকারের সদিচ্ছা না দেখা গেলে, INDIA জোট দৃঢ়ভাবেই পরবর্তী ধাপে এগোবে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, বাজেট-পরবর্তী অধিবেশনে সংসদ অচলাবস্থাকে কেন্দ্র করে সরকার বনাম বিরোধী সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য সেই সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিল—যেখানে প্রশ্নটা শুধু বাজেট নয়, সংসদের ভূমিকাও।
https://x.com/AITCofficial/status/2021132791468241313



