নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর যাওয়ার আগে থেকেই উত্তপ্ত ঠাকুরবাড়ি। এদিন সকাল থেকেই বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে বিজেপি সাংসদকে বেনজির আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ।
আরও পড়ুন: উত্তপ্ত ঠাকুরনগর! বিক্ষোভের মাঝে দাঁড়িয়েই হুঁশিয়ারি অভিষেকের
রবিবার সকাল থেকেই শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে ঠাকুরবাড়িতে বিক্ষোভ চলছে। বিজেপি সাংসদের কথায়, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সাধারণ সাংসদ। তাঁর আগমনের জন্য যে প্রস্তুতি হচ্ছে তা প্রধানমন্ত্রী আসার সময়েও হয় না।” এদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, মতুয়া ভক্তরা কালো পতাকা নিয়ে মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। মন্দিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তৃণমূল সমর্থকদের বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এই বিক্ষোভের মধ্যেই ঠাকুরবাড়িতে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই প্রকাশ্যে শান্তনু ঠাকুরকে নিশানায় আনেন তিনি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ঠাকুরবাড়িতে এসে পুজো দিয়েছি। হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের পূণ্যভূমিতে এসে আগামী দিনে লড়াইয়ের শক্তি নিলাম। আমার কর্মসূচি রয়েছে হাবড়াতে। আমি এখানে পুজো দিতে এসেছি। কিন্তু সকাল থেকে মন্দির ঘিরে রয়েছে বিজেপির লোকজন। ওদের ২০০-২৫০ লোক রয়েছে। আমাদের পাঁচ হাজার। চাইলেই আমি গায়ের জোরে ঢুকতে পারি। কিন্তু ঠাকুরবাড়ি গায়ের জোর দেখানোর জায়গা নয়। এই মন্দির, এই মতুয়া ধাম কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। এর দ্বার সকলের জন্য খোলা।”

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে আক্রমণ করে তৃণমূল সাংসদ বলেন, “শান্তনু ঠাকুর রাস্তা দিয়ে হেঁটে তৃণমূলকে ধমকাচ্ছে, বিক্ষোভ করছে সেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। যেখানে থাকেন সেখানে জলের ব্যবস্থাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। কেউ যদি ভাবে গুরুচাঁদ ঠাকুর ও হরিচাঁদ ঠাকুরের আন্দোলনকে সরিয়ে দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করব। তাঁকে বলব, এই ঠাকুরবাড়ি তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। এছাড়াও, অভিষেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেন, শান্তনু ঠাকুর মতুয়াদের হয়ে লড়াইয়ের পরিবর্তে দিল্লির চাটুকারিতা করছেন।
মতুয়াদের হয়ে লড়াইয়ের পরিবর্তে দিল্লির চাটুকারিতা, আক্রমণ অভিষেকের




