সন্দীপকে ঘিরে মহিলা আইনজীবীদের বিক্ষোভ, এজলাসেই আটকে সন্দীপ ঘোষ। প্রায় ৪০মিনিট ধরে আটকে রাখা হয়। তাঁকে যাতে এজলাস থেকে বের করে না আনা হয়য় সেই জন্যই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মহিলা আইনজীবীরা। ধেয়ে এল চটি! কোর্টে ঢোকার সময় দেওয়া হয় চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়য় তাঁকে দেখে। প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় কোর্ট চত্বরে। এবার চটি দিয়ে মারার চেষ্টা। আইনজীবীদের বিক্ষোভ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যে বের করল পুলিশ।
সন্দীপ ঘোষ-সহ ৪জনের কাউকে হেফাজতেই চাইল না সিবিআই। ২৩ তারিখ পর্যন্ত জেল হেফাজতে সন্দীপ ঘোষ। আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতি, ৪জনেরই জেল হেফাজত। পরে প্রয়োজন হলে হেফাজতে চাওয়ার আর্জি জানানো হবে। বিশেষ আদালতে জানালেন সিবিআই-এর আইনজীবী। এদিন বিচারপতি বলেন,”ভবিষ্যতে রায় কী হবে, তা এখন থেকেই ঠিক করতে চাইছেন? তখন কী পরিস্থিতি হবে, সেই বুঝে নির্দেশ।” সিবিআই আইনজীবীকে ফের ভর্ৎসনা বিশেষ আদালতের বিচারকের।


উল্লেখ্য, আরজি কর কাণ্ডে আপাতত যে কয়েক জনের নাম উঠে এসেছে যার কেন্দ্রবিন্দু হল হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। আর এদিন সন্দীপ ঘোষ ঘিরে যেমন চোর স্লোগান উঠে। তেমনি এর আগেও যখন তাঁকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়েছিল তখন শুনানির পর যখন তাঁকে বার করে আনা হয়। তখন ঠিক একইরকম ভাবে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় তাঁকে ঘিরে। এমন সময় তাঁকে পেছন থেকে চর মারতে দেখা যায়। কিন্তু আজ যখন তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশের পর তাঁকে প্রিজনভ্যানে করে তাঁকে প্রেসিডেন্সি হোমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ঠিক সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো ছুঁড়ে মারা হয়।







