হৃদয়ে কি চলছে বলে দেবে একটা সেলফি, কিভাবে সম্ভব তা?

হৃদয়ে কি চলছে বলে দেবে একটা সেলফি, কিভাবে সম্ভব তা?
হৃদয়ে কি চলছে বলে দেবে একটা সেলফি, কিভাবে সম্ভব তা?

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  হৃদয়ে কি চলছে বলে দেবে একটা সেলফি, কিভাবে সম্ভব তা? শরীরের হৃদযন্ত্রে চুপিসাড়ে কোনও রোগ বাসা বেঁধেছে কিনা, তা জানা যাবে একটা সেলফির মাধ্যমেই। চিকিৎসকের কাছে একটা সেলফি পাঠালেই এবার জানতে পারবেন আপনার হৃদযন্ত্রের অবস্থা। এক নতুন সমীক্ষা বলছে করোনারি আর্টারি ডিজিস বা সিএডি নির্ণয় করা সম্ভব মানুষের মুখের ছবি দেখে। ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে এই সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Covid Infection: স্কুল খুলেও বিপদ, করোনা আক্রান্ত দু’জন শিক্ষক

গবেষণা জানাচ্ছে হৃদরোগের লক্ষ্মণ চিহ্নিত করবে ডিপ লার্নিং কম্পিউটার। অ্যালগরিদম নামে ওই যন্ত্রটি যে কোনও ব্যক্তির মুখের চারটি ছবি দেখে সিএডি শনাক্ত করবে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। এটা এক ধরণের স্ক্রিনিং টুল। এই টুলের ব্যাবহার করা হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে কাজে লাগিয়ে। প্রথমে এক্ষেত্রে ফেস ডিটেক্ট বা মুখমন্ডলে চিহ্নিতকরণ করা হচ্ছে।

যে ব্যক্তি সেলফি পাঠাচ্ছেন তার কি কি চিকিৎসা চলছে, সে সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করা হয়। এরপর মুখের ত্বকে করোনারি ডিজিজের কিছু নির্দিষ্ট চিহ্ন দেখে হৃদরোগের প্রকৃতি সম্পর্কে বলতে পারেন চিকিৎসকরা। তবে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে হৃদরোগ সম্পর্কে জানার পরামর্শই দিচ্ছেন গবেষকরা। এই পদ্ধতিতে কিছু ভুল ত্রুটি থাকতে পারে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি এই রকম পর্যবেক্ষণ যেহেতু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে বের করা হচ্ছে, তা সবসময় পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে সঠিক নাও হতে পারে।

চিনের বেজিংয়ে ফুয়াই হাসপাতাল, চিনা অ্যাকাডেমি অফ মেডিক্যাল সায়েন্স ও পিকিং ইউনিয়ন মেডিকাল কলেজের গবেষকরাও এই সমীক্ষা চালিয়েছেন। তবে তাঁরা বলছেন ক্লিনিক্যাল টেস্ট বেশি উপযোগী হৃদরোগ শনাক্তকরণে। এই স্ক্রিনিং পদ্ধতিটি সহজ, লাভজনক ও দ্রুত কার্যকরী বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।

হৃদয়ে কি চলছে বলে দেবে একটা সেলফি, কিভাবে সম্ভব তা?

হৃদয়ে কি চলছে বলে দেবে একটা সেলফি, কিভাবে সম্ভব তা?
হৃদয়ে কি চলছে বলে দেবে একটা সেলফি, কিভাবে সম্ভব তা?

তবে এই পদ্ধতি হৃদরোগ শনাক্ত হলে দ্রুত ক্লিনিক্যাল টেস্ট করা প্রয়োজন বলে পরামর্শ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ৮টি হাসপাতালের ৫৭৯৬ জন রোগির ওপর গবেষণা চালিয়ে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছেন গবেষকরা। তারা জানাচ্ছেন এই স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে একটি উন্নত প্রযুক্তির অ্যাপ তাঁরা তৈরি করতে চান, যেখানে রোগী নিজেই নিজের হৃদরোগের তথ্য প্রাথমিকভাবে দেখে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন। এতে বড়সড় ঝুঁকি এড়ানো যেতে পারে।