আরজি কর হাঁসপাতালে খুন কাণ্ডে ২৪ ঘণ্টা পার। আরজি করের চিকিৎসক মৃত্যু নিয়ে তদন্ত যতই এগচ্ছে ততই বাড়ছে রহস্য। গতকালই ওই চিকিৎসকের দেহ ময়নাতদন্ত করা হয় যেখানে প্রাথমিক রিপোর্টে ইতিমধ্যেই খুন-ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে লালবাজার গোয়েন্দা শাখার আধিকারিকরা। এমনকি সিট তৈরি করে তদন্তে শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। এরপর গতকাল রাত ৩ টে পর্যন্ত তারা এই আরজি কর হাঁসপাতালে তদন্ত চালায়। এরপর রাতেই এক নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করা হয়। সকালে গ্রেফতারও করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। যেমনটা জানা গেছে ওই ব্যাক্তি এক নিরাপত্তারক্ষী।
পুলিশ সূত্রে জানাগিয়েছে, সঞ্জয় নামের ওই ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সূত্র ধরেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। যান গেছে ওই ব্যক্তি সরাসরি হাসপাতালের কর্মী নন বলেই জানা যাচ্ছে। তারপরেও হাসপাতালে অবাধ যাতায়াত ছিল। গতকালই ময়না তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্বাস-রোধ করেই খুন করা হয় তাঁকে। ঠিক রাত ৩টে থেকে ৬টার মধ্যে খুঙ্করা হয় ওই ছাত্রীকে। এমনকি গোপনাঙ্গেও মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। আর তাই ওই পরবর্তী কালে তথ্য প্রয়াম্ন আরও স্পষ্ট হলে নাতুন কোন ধারাও সংযুক্ত করা হতে পারে। তবে আপাতত খুনের ধারা দিয়েই তদন্ত শুরু করা হয়েছে।


আর এই ময়না তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই ওই সময় ধরে হাসপাতালের কর্মী, গ্রুপ-ডি স্টাফ, নার্স, জুনিয়র ডাক্তার ছাড়া আর কারুর সেমিনার হলের আশেপাশে যাতায়াত ছিল কিনা সেই তথ্য অনুসন্ধান শুরু করেন তদন্তকারীরা। আর তারপরেই হাঁসপাতালের চেস্ট মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে থাকা একটি ক্যমেরার ফুটেজেজ এক ব্যক্তিকে সেমিনার হলের দিকে যেতে দেখা যায়। আর ওই ব্যাক্তিটিই হল ওই নিরাপত্তারক্ষী। যদিও হাঁসপাতালের কোন কর্মচারী নয় সে। বহিরাগত বলেই জানা গিয়েছে সুত্র মারফত। তারপরেই তাঁকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।










