নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোটের নির্ঘন্ট জারি হতে আর সপ্তাহ দুয়েক দেরি। এই মুহুর্তে বাংলা জুড়ে সভা করছে শাসক-বিরোধী সহ সব দলগুলি। আর সভা মঞ্চ থেকে একে অপরকে তোপ দাগছেন সকলে। সভাস্থলের উপস্থিতির হার দেখে আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলের জল মাপছেন, হিসেব কষছেন কে কটা আসন পাবে। এসবের মাঝেই আজ বৃহস্পতিবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে তফসিলি জাতি-তফসিলি উপজাতি সেলের সভা মঞ্চ থেকে ২১ এর নির্বাচনে ২৯৪ এর মধ্যে ২৫০ আসন প্রাপ্তির বিশ্বাস দেখা গেল যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়।
আরও পড়ুনঃ কাঁথিতে অভিষেকের সভা থেকে বাদ, ক্ষোভ প্রকাশ দিব্যেন্দুর
রাজ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি মানুষের আরও কাছাচকাছি আসতে এবং যোগাযোগ আরও বাড়ানোর উদ্দ্যেশে কয়েকদিন আগেই তৃণমূল সরকার ঘোষণা করেছিলো পৃথক পৃথকভাবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য কমিটি গঠন করার কথা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাদের বসানো হপয়েছে এই কমিটি গুলর ওপরে।
আজ বৃহস্পতিবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে তফসিলি জাতি-তফসিলি উপজাতি সেলের সভা করেন অভিষেক। সেখান থেকেই একে একে তোপ দাগেন বিজেপির বিরুদ্ধে। শুধু রাজ্য নয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিজেপি কীভাবে তফসিলি জাতি-উপজাতির মানুষের ওপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর খতিয়ান তুলে ধরেন। প্রসঙ্গে তিনি তুলে আনেন হথ্রাস এর ঘটনার কথা।
শুধু তাই নয় সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে ২০১৮ সালের এনসিআরবির তথ্য তুলে এনে বিজেপি সরকারের অত্যাচারের বিশ্লেষণ করেন। তিনি এও জানান বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত তফসিলি জাতি-উপজাতির উপর অত্যাচার বেড়েছে ২৬ শতাংশ। এসব খতিয়ান সামনে এসে অভিষেক মনে করিয়ে দেন বাংলায় এই ভেদাভেদ নেই। তৃণমূল সরকার থাকা কালীন কখনো বাংলায় আসবে না এই দিন।
বিজেপি সারা দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িকতার যে বীজ বুনছে তা এখনো বাংলায় ছড়ায়নি। এবং বাংলায় তৃণমূল থাকা কালীন কখনোই আসবে না এই দিন। সেখান থেকেই আত্মবিশ্বাসের সুর ফুটে ওঠে অভিষেকের গলায়। স্পষ্ট তিনি জানান বাংলায় সরকার থেকবে তৃণমূলেরই। ২৫০ এর বেশি আসন নিয়ে ফের একবার বাংলায় প্রত্যাবর্তন করবে তৃণমূল সরকার। কোনরকম সাম্প্রদায়িকতার বীজ তিনি বাংলায় স্থান দেবেন না।



